ওমিক্রন – কোভিড-১৯ এর নতুন ভেরিয়েন্ট: আমাদের কতটা চিন্তিত হওয়া উচিত?

ঠিক সেই সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে মানুষ মহামারীর উদ্বেগ থেকে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একটি নতুন SARS-CoV-2 ভাইরাসের খবর প্রকাশিত হয়েছে। 

২৬ নভেম্বর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেইন আখ্যায়িত করে এর নাম দিয়েছে ওমিক্রন। ওমিক্রন এখন অন্যান্য সাতটি ভ্যারিয়েন্টের সাথে যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে আগে ছিল আলফা, বিটা, গামা এবং ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

খবরে প্রকাশিত হয়েছে সর্বশেষ ‌এই ভ্যারিয়েন্টটির অসংখ্য মিউটেশন আছে যার ফলে এটি সহজেই সংক্রমণযোগ্য এবং এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহজে ভেদ করতে পারে। এসব কারনেই বর্তমানে ভ্যারিয়েন্টটি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দৈনন্দিন জীবনে এর কেমন প্রভাব পড়বে তা জানার জন্য মানুষ দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর তথ্য মতে ভেরিয়েন্টগুলিকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন ‘ বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে শনাক্ত করা হয়েছিল এবং মিডিয়া আকর্ষণের মূলে আসার আগে ভ্যারিয়েন্টগুলো নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা করারও সময় পাওয়া গিয়েছিলো। তবে এবার ওমিক্রন এর বিষয়টি দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ঘটেছে।

omicron

কেন ওমিক্রন একটি “উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট”?

ওমিক্রন এর স্পাইক প্রোটিনে ৩২ টি মিউটেশন পাওয়া গেছে। যদিও এর মধ্যে কিছু অন্য ভ্যারিয়েন্টের সাথে মিশ্রণ ঘটিয়েছে, তবে বেশিরভাগই নতুন ধরনের মিউটেশন। 

ওয়েন্ডি বার্কলে যিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাস ভেরিয়েন্ট নিয়ে গবেষণার প্রতিনিধিত্ব করছেন, উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এর স্পাইক প্রোটিনের পরিবর্তন হয় ফলে নতুন মিউটেশন ঘটে এবং এন্টিবডিকে দুর্বল করে দেয়। তিনি সতর্ক করেছেন যে, বিজ্ঞানীদের যে কোন সিদ্ধান্তে আসার আগে অনেক গবেষণা করতে হবে।

নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কী কাজ করবে?

উহান থেকে SARS-CoVID-2-এর প্রথম খবর পাওয়ার পর থেকে, গত দুই বছরে একাধিক ভ্যারিয়েন্ট আবিষ্কৃত হয়েছে এবং আমরা আশা করতে পারি নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর আগমন ঘটতেই থাকবে।

ভ্যাকসিন দ্রুত তৈরি করা হয়েছে এবং অন্যান্য প্রতিষেধকও আসছে। নতুন ধরনের ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা যদিও কম, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বুস্টার ডোজও সংযুক্ত করা হয়েছে। নতুন ভেরিয়েন্টের এর বিস্তারিত প্রতিক্রিয়াগুলি খুঁটিয়ে দেখার জন্য যথেষ্ট সময়ও হাতে নেই।

এই মুহূর্তে, এমন অনেক প্রশ্ন আছে যার উত্তর আমাদের হাতে নেই। বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণা প্রক্রিয়া চলছে যা অনেকগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হবে। গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যাবে:

  • বর্তমান ভ্যাকসিন দ্বারা প্রদত্ত সুরক্ষা স্তর
  • এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের রোগের মাত্রা
  • ওমিক্রনের সংক্রমণযোগ্যতা

ইতিমধ্যে, ফাইজার এবং মর্ডানা সহ প্রধান কোভিড ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থাগুলো ‘শুধু মাত্র ওমিক্রন’ এর ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে যা প্রায় ৩ মাসের মধ্যে সবার কাছে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা যায়। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে, ফাইজারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মিকাইল ডলস্টেন বলছেন, ২০২২ এর মার্চের মধ্যে একটি ওমিক্রন কেন্দ্রিক বুস্টার পাওয়া যেতে পারে। সম্ভবত এবার এফডিএ ভ্যাকসিনগুলির ব্যাপকহারে ক্লিনিকাল ট্রায়াল এর ক্ষেত্রে ছাড় দিবে।

নিজেকে নিরাপদ রাখতে কী করতে পারি?

CDC বুস্টারগুলির নেওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়েছে। সংস্থ্যাটি বলেছে যে কোন প্রাপ্তবয়স্কর ক্ষেত্রে মর্ডানা বা ফাইজার/বাওন্টেক-এর ভ্যাকসিনের প্রাথমিক দুই ডোজ শেষ করার ছয় মাস পরে অথবা জনসন অ্যান্ড জনসন-এর একক-ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার দুই মাস পর বুস্টার শট নেওয়া উচিত।

এখন পর্যন্ত, আমরা জানি যে মাস্ক পরা, হাত ধোয়া এবং শারীরিক দূরত্বের মতো সতর্কতাগুলি মেনে চলতে পারলে, ভাইরাসের কারণ হতে পারে এমন কোনও মিউটেশন ঘটার সম্ভাবনা নেই। এই নির্দেশিকাগুলি মেনে চলতে পারলে ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্ট থেকেও রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

আমার কী ওমিক্রন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

যদিও ওমিক্রনের প্রভাব আমাদের মহামারী থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার লড়াইয়ে একটি বাধা হয়ে দাড়িয়েছে তবুও জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, ভাইরাসটি টিকা এবং আগের সংক্রমণের ইমুনাইজেশান থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি দেয়ার সম্ভাবনা কম।

টিকা দেওয়ার হার বৃদ্ধি এবং প্রতিশ্রুতিশীল ওষুধের কারণে, ওমিক্রন এর প্রভাব আলফা এবং ডেল্টার তুলনায় অনেক কম কষ্টকর হওয়া উচিত। বুস্টার শটগুলি উন্নত স্তরের অ্যান্টিবডি তৈরির দিকে নিয়ে যাবে যা ভাইরাসকে দূর্বল করে দেবে, এবং আরও বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডি তৈরি করবে যা নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন সম্প্রতি এক সংবাদ বিবৃতিতে বলেছেন ওমিক্রন “চিন্তার কারণ তবে আতঙ্কের কারণ নয়।”  তিনি আরো বলেন “এই নতুন ভেরিয়েন্ট, এর বাইরের যে কোনও ভ্যরিয়েন্ট, বর্তমান যে কোন ভ্যরিয়েন্টের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা আমরা পেতে পারি সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া এবং বুস্টার শট নিশ্চিত করার মাধ্যমে।”

সাউথ আফ্রিকার ভিডিও সহ আভ্যন্তরীণ রিপোর্ট

The New Omicron COVID-19 Variant: How worried should we be?

omicron

বাংলা

Right around the time when people around the world started to relax a little from pandemic worries, news about the appearance of a new SARS-CoV-2 variant emerged from South Africa.

On November 26, the World Health Organization (WHO) designated the new strain as a variant of concern and named it Omicron. Omicron now joins seven other variants of concern that include the Alpha, Beta, Gamma, and Delta variants.

News that the new coronavirus variant has a number of mutations that could make it more transmissible and have the ability to avoid immune protection has generated anxiety around the world and people are waiting to know more about the impact of Omicron on their lives.

In the past, variants were designated “variants of concern” by the WHO and there was more time to study them before they become exposed to media attention. With Omicron, it all happened in less than two weeks.

Source: https://twitter.com/_nference/status/1464404770098229250?s=20

Why is Omicron a ‘variant of concern’?

Omicron has 32 mutations in its spike protein. Whilst some of these are shared with other variants, the majority are novel mutations.

Right now, it is difficult for scientists to predict how the different mutations will affect immune response. Wendy Barclay, who leads a UK group studying new coronavirus variants worries that the ability of antibodies “will be compromised in their ability to neutralize the virus” due to the changes across its spike protein— though she cautioned that scientists need to study that question to confirm it.

Are vaccines effective against Omicron?

Since the first reporting of SARS-CoVID-2 from Wuhan, multiple variants have emerged over the past two years, and we can expect new variants to continue emerging. Vaccines have been developed rapidly and other therapeutics are coming along.  Whilst the effectiveness of vaccines against emerging variants have shown diminished efficacy, booster doses have been added to increase host immunity. There has not been enough time yet to evaluate the detailed response/s against the new variant.

Right now, there are many unanswered questions. Intensive research currently underway will generate a host of answers. Key questions that will be answered will include:

  • Level of protection provided by current vaccines
  • Severity of disease in patients infected with this virus
  • Transmissibility of Omicron

In the meantime, the major COVID vaccine manufacturers including Pfizer and Moderna are working on making an ‘Omicron-specific’ vaccine that will be available in about 3 months. In a recent interview, Pfizer’s Chief Scientific Officer Mikael Dolsten suggested that an Omicron-targeted booster might be made available by March. It’s likely that FDA might waive elaborate clinical trials for these variant-focused vaccines.

What can I do to keep safe?

The CDC has strengthened its guidance on boosters, saying all adults should get booster shots six months after ending the primary two doses of Moderna’s or Pfizer/BioNTech’s vaccine and two months after getting Johnson & Johnson’s single-dose vaccine.

So far, we know that there are no mutations that can cause a virus to overcome precautions like wearing of face masks, handwashing and physical distancing. Observing these guidelines should help protect against the Omicron variant also.

Should I be concerned?

While the appearance of Omicron might represent an initial setback in the fight to regain normalcy from the pandemic, most scientists and public health officials believe that the virus is unlikely to completely escape immunization generated by vaccination and prior infection.  

With high vaccination rates and promising drugs on the horizon, a possible Omicron wave should be far less painful to weather than the Alpha and Delta ones. Booster shots lead to greater levels of antibodies that neutralize the virus, and also more diverse types of antibodies that give broader protection against new variants.

Omicron “is a cause for concern, not a cause for panic,” U.S. President Joe Biden said in a press briefing recently. “The best protection against this new variant or any of the various out there, the ones we’ve been dealing with already, is getting fully vaccinated and getting a booster shot.”

Video of the initial report from S Africa

বাংলা

ভিটামিন ডি সম্পর্কে কী জানতে হবে এবং এর টেস্ট কীভাবে করাবেন

Vitamin D

ভিটামিন ডি এর অভাব যে কোনো বয়সের মানুষের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেক গবেষণা অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাব প্রায় ৭০% বা তার বেশি। ল্যাব ভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায় যে, ঢাকার জনসংখ্যার ৮৬% এর মধ্যে হাইপোভিটামিনোসিস ডি রয়েছে।

বিশ্ব ভিটামিন ডি দিবস ২ নভেম্বরে উদযাপিত হয়। ভিটামিন ডি এর অভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রত্যেক নাগরিক এবং তাদের পরিবারের রোগের ঝুঁকি কমাতে, রক্তে পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন ডি নিশ্চিত করন এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার জন্য এই দিবস পালন করা হয়।

ভিটামিন ডি একটি ফ্যাটে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের শোষণ এবং ক্যালসিয়াম হোমিওস্টাসিস নিয়ন্ত্রণ এর সাথে জড়িত। এটি হাড় গঠনের জন্যও অপরিহার্য এবং স্বাস্থ্যকর হাড় রক্ষার জন্য একটি অন্যতম উপাদান। যেহেতু এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তাই এটি শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে একটি সুরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করে। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে ভিটামিন ডি এর গুরুত্ব অপরিসীম। ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, অস্টিওপোরোসিস, বেশ কিছু অটোইমিউন রোগ, অন্ত্রের রোগ, সিলিয়াক রোগ, কিডনির রোগ, যকৃতের রোগ এবং প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো বিভিন্ন ক্রনিক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি ব্রেস্টফিড করানো শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও যারা অল্প সময় সূর্যের সংস্পর্শে থাকেন সেই সকল ব্যক্তিদের, কালো ত্বকের ব্যক্তিদের এবং স্থূলকায় ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন ডি সূর্যের আলো, চর্বিযুক্ত মাছ, ডিম, যকৃত, মাখন এবং ভিটামিন ডি আছে এরকম সম্পূরক খাবার থেকে পাওয়া যেতে পারে।

আজকাল ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলোতে এই রোগ বিশ্লেষনের জন্য বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এবং বিভিন্ন ইমিউনোঅ্যাসে পদ্ধতিগুলো বিভিন্ন মান দেয়। সুতরাং, অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল কলেজ অফ প্যাথলজিস্টস অনুসারে, চিকিৎসার সময় রক্তের সিরামে ভিটামিন ডি এর মাত্রা একই ল্যাবরেটরিতে পর্যবেক্ষণ করার জন্য বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়।

একই টেস্ট যদি কোন ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ল্যাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে করে তাহলে একই রকম রিপোর্ট নাও আসতে পারে কারন টেস্টের রেজাল্ট নির্ভর করে কখন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, টেস্টের পদ্ধতি এবং সঠিক পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা তার উপর। 

সুতরাং, একটি নির্ভরযোগ্য ল্যাব থেকে আপনার ভিটামিন ডি এর লেভেল টেস্ট করুন এবং আপনি যদি ল্যাবের ফলাফলের গুণমান ক্রস-চেক করতে চান তবে আরেকটি মান সম্পন্ন ল্যাবের সাথে রিপোর্টগুলো তুলনা করুন। এক্ষেত্রে একই সময়ে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি একই প্রোটোকল ব্যবহার করে স্যাম্পল উভয় ল্যাবে পাঠানো উচিৎ।

যদিও ভিটামিন ডি এর অভাব বেশীরভাগ ক্ষেত্রে রোগী বুঝতে পারে না কারন এর কোন লক্ষন থাকে না, তবে ভিটামিন ডি এর অভাবে হাঁড়ের ঘনত্ব কম যেমন- অস্টিওপোরোসিস এবং হাঁড়ে ফ্র্যাকচার, কার্ডিওভাসকুলার রোগ, ক্যান্সার, এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস এর মতো রোগ হতে পারে। অতএব, আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসাবে ভিটামিন ডি এর লেভেল বছরে অন্তত একবার টেস্ট করানো উচিৎ। ভিটামিন ডি এর অভাব এড়াতে আপনার খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন যেমন- তৈলাক্ত মাছ এবং ডিমের কুসুম। প্রাকৃতিকভাবে শরীরে ভিটামিন ডি এর পরিমান বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ৩ টার মধ্যে সরাসরি সুর্যের আলোর সংস্পর্ষে যান।

আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাবের উপর নির্ভর করে প্রয়োজন অনুসারে আপনার ডাক্তার চিকিৎসা পরিকল্পনা সুপারিশ করতে পারেন। ভিটামিন ডি এর ঘাটতি দূরীকরণে এর চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হলো- আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর একটি নির্দিষ্ট মাত্রা তৈরি করা এবং তা দীর্ঘদিন ধরে রাখা। ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ এবং সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসা ছাড়াও, আপনার ডাক্তার ভিটামিন ডি সম্পূরক ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন। ভিটামিন ডি এর ঔষধ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে যা সহজে কেনা যায়, তারপরেও আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর মাত্রা পরীক্ষা করে এবং ডাক্তারের সাথে কথা বলে তার পরামর্শ অনুযায়ী এই ডোজগুলো গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

English

What to Know About Vitamin D & its Testing

Vitamin D

Vitamin D deficiency is a global health problem for people of any age. According to many studies, Vitamin D deficiency is about 70% or higher in South Asia and as per a lab-based study, 86% of Dhaka’s population have Hypovitaminosis D. 

World Vitamin D Day, celebrated on 2nd November, is a day to raise awareness about Vitamin D deficiency and highlight the need for people and families to take immediate action to ensure everyone has sufficient Vitamin D blood levels to reduce their risk of disease and achieve optimal overall health.

Vitamin D is a fat-soluble vitamin involved in the intestinal absorption of calcium and the regulation of calcium homeostasis, essential for bone formation, and maintenance of healthy bones. It also plays a protective role in reducing the risk of respiratory tract infection and COVID-19 infection, as it boosts immunity.

The importance of Vitamin D in medical science is immense and it is required to fight various chronic diseases such as cancer, high blood pressure, osteoporosis, several autoimmune diseases, bowel disease, celiac disease, kidney disease, liver disease, and pancreatitis. It is especially important for breastfed infants, older adults, people with limited sun exposure, people with dark skin, and people who are obese. 

Vitamin D can be obtained by sunlight, in foods like fatty fish, eggs, liver, butter, and dietary Vitamin D supplements.

Nowadays, diagnostic labs use different types of testing methods for analysis, and different immunoassay techniques give different values. So, according to The Royal College of Pathologists of Australia, it is advised to monitor serum Vitamin D levels following treatment in the same laboratory. 

Vitamin D test results not only depend on the quality of aging of samples and the specificity, sensitivity, and robustness of the testing methods, the results may also vary from lab to lab and/or from time to time for the same parameters of a given patient. 

So, check your Vitamin D level from a reliable lab and if you want to cross-check the lab result quality, you should compare it with another lab that has high standards, with sample collection done at the same time, using the same protocols, and sent to both labs. 

Although a majority of patients with Vitamin D deficiency are asymptomatic, Vitamin D deficiency can lead to a number of health concerns such as low bone density leading to osteoporosis and bone fractures, cardiovascular disease, cancer, and type 2 diabetes, among others. Therefore, Vitamin D levels should be checked at least once a year as part of your health check. To avoid deficiency, you should include Vitamin D-rich food in your diet, such as oily fish and egg yolks, and get sun exposure 2-3 times per week between 10am and 3pm, to accelerate the natural Vitamin D formation. 

Depending on your level of deficiency, your doctor may recommend a treatment plan.The goal of treating Vitamin D deficiency is to reach and maintain an adequate level of Vitamin D in your body. Aside from taking Vitamin D rich food and exposure to sunlight, Vitamin D supplements could be advised by your doctor. There are different ranges of Vitamin D supplements and although some can be bought over the counter, it is advised to check your Vitamin D levels with your doctor and then go with her/his recommendation on the dosage of supplements to take.

বাংলা

Dengue Crisis During the COVID-19 Pandemic

Bangladesh is currently dealing with a fresh wave of COVID-19 cases and a high increase in dengue infections, putting a burden on the country’s healthcare system, which is already being pummeled by the rising COVID crisis.

In the early stages, dengue viruses and COVID-19 can have similar symptoms. The majority of patients infected with dengue or COVID-19 have mild sickness that may be treated at home.  Both dengue and COVID-19, on the other hand, can cause serious sickness and even death. 

Signs and Symptoms

Dengue and COVID-19 have some similar symptoms

Dengue

Symptoms of dengue typically last 2-7 days. The most common symptom of dengue is fever with any of the following:

  • Aches and pains (severe pain in the bones, behind the eyes, muscle pain, and joint pain)
  • Rash
  • Nausea
  • Lethargy, restlessness, or irritability
  • Bleeding from the nose or gums
  • Vomiting blood or blood upon excretion
COVID-19

Symptoms of COVID-19 range from mild to severe and may appear 2-14 days after exposure to the virus. People with COVID-19 may have but are not restricted to:

  • Fever or chills
  • Cough
  • Shortness of breath or difficulty breathing
  • Fatigue
  • Muscle or body aches
  • Headache
  • Loss of taste or smell
  • Sore throat
  • Congestion or runny nose
  • Diarrhea
  • Nausea or vomiting

High-Risk Individuals

People at higher risk for dengue and COVID-19 may include:

Dengue
  • Infants
  • Women, especially pregnant women
  • Patients with chronic medical conditions, like diabetes, asthma, obesity, and heart disease
  • Patients with dengue infection for the second time
  • Time since the previous dengue infection (the longer, the higher the risk)
COVID-19
  • People with a pre-existing medical condition and other comorbidities
  • Pregnant women

How COVID-19 and Dengue Spread

Dengue viruses are transmitted to humans mostly through the bites of infected mosquitoes (vector-borne disease). COVID-19 is expected to spread mostly through respiratory droplets produced by infected people coughing, sneezing, or talking. 

Current Situation in Bangladesh

Within this year alone, more than 9000 cases of dengue have been detected all over Bangladesh. The majority of dengue cases arising in Dhaka have added to the strain on Bangladesh’s healthcare system, currently addressing the second wave of COVID-19. Most hospital beds and intensive care units (ICUs) have been filled up by COVID-19 patients, making it difficult for dengue patients to be admitted to a facility.

Dengue has become increasingly severe and complicated in recent times as people exhibit symptoms similar to COVID-19. The similarity between these two diseases makes it more difficult for the correct illness to be diagnosed.

If you develop any symptoms or are observing worsening conditions, call your doctor immediately to seek medical attention. Your doctor can help you understand your symptoms and condition and give a full diagnosis, whether dengue, COVID-19, or both. 

বাংলা

How stress affects our body and health

Stress is the body’s reaction to change, resulting in physical, emotional, and intellectual responses. The terms stress and anxiety are used interchangeably, but they are slightly different: stress is caused by a specific, existing stressor, while anxiety is stress that persists after the source of stress has been removed. Stress can be beneficial in small doses, such as helping a person escape danger or achieve a deadline. However, continuous stress can be harmful to one’s health. 

There are two sorts of stress:

  • Acute stress: This short-term stress goes away quickly. It helps manage dangerous circumstances and tends to happen in situations such as slamming on the brakes or having a fight with a spouse.
  • Chronic stress: This stress lasts for a longer period of time. Health problems may arise if chronic stress, such as having financial problems or unhappy marriage, is not managed.

Identifying stressors is important. Stressors can vary according to stages of life — a child will have different stressors than a teenager, and a student will have different stressors than a youth who completed his studies. Stressors can also differ between men and women. 

What causes stress

Stress can be caused by a variety of different common life events, many of which are difficult to avoid. For example,

  • Personal: Illness or injury, becoming a parent, bereavement
  • Friends and family: Break-up or divorce, difficult relationships with family or friends
  • Employment and study: New job, job loss, long-term unemployment, retirement, exams, and deadlines
  • Shelter: Poor living conditions, lack of security, homelessness, problems with neighbors
  • Finance: Worries about money or benefits, poverty, debt

COVID-19 has had a significant impact on our lives. Many of us are facing extraordinary difficulties that can be stressful or upsetting and can evoke powerful emotions in both adults and children. Public health measures like social separation are required to stop COVID-19 from spreading, but they can make people feel lonely, as well as cause stress.   

Caused by stress

  • Feelings of fear, anger, sadness, numbness, or frustration
  • Changes in appetite, energy, and interests
  • Difficulty concentrating and making decisions
  • Difficulty sleeping or nightmares
  • Headaches, body pains, stomach problems, and skin rashes
  • Worsening of chronic and mental health problems
  • Increased use of tobaccoalcohol, and other substances

Healthy ways to cope with stress

Stress can be managed by taking the help of loved ones, exercising regularly, meditating, or using other relaxation techniques, taking organized timeouts, and adopting new coping strategies to create regularity in our life. For more extreme cases, it could be beneficial to seek a therapist or counselor.

Some tips to manage stress include:

  • Take breaks from the news, including those on social media. It’s good to be informed, but hearing about the pandemic and other upsetting news constantly can be upsetting. 
  • Take deep breaths, do stretching and slight exercises 
  • Eat healthy, well-balanced meals
  • Get plenty of sleep
  • Avoid alcohol, tobacco, and substance use
  • Continue with routine preventive measures
  • Get vaccinated with a COVID-19 vaccine when available
  • Try to do some other enjoyable activities.
  • Connect with others whom one can trust about their concerns and how someone is feeling
  • Connect with community-based organizations – communicate online, through social media, by phone, or by mail

Talk to your family doctor if you’re concerned about your stress. Your doctor can help assess your symptoms, rule out other possible causes, and help guide you to cope with stress more effectively.

Want to talk to a Praava doctor about stress or anxiety? Book a consultation to talk to a doctor either online or in person.

Prostate Cancer Awareness Month: Reduce your Risk for Prostate Cancer

The anxieties and restrictions behind the ongoing COVID-19 pandemic are causing us to overlook many of our basic health needs. As a result, healthcare specialists are particularly concerned about the potential for new health problems. As we all know, the sooner a health problem is identified, the more likely we are to be able to successfully treat it. For men, in particular, prostate cancer caught earlier on has much higher rates of recovery. 

September was declared Prostate Cancer Awareness Month in 1999 by the American Foundation for Urological Disease. This started as an effort to raise awareness about the prevalence of prostate cancer and to encourage men to get pre-screened on a regular basis. Each cancer has a corresponding color that represents support, and the color of support for prostate cancer is light blue. This color represents healing, health, and understanding, as well as the unwavering determination of people who fight prostate cancer every day.

About Prostate Cancer

The prostate is a gland in the male reproductive system that generates fluid that is part of the semen. It is slightly below the bladder and in front of the rectum. Prostate cancer is the most common non-skin cancer in males; after lung cancer, it is the second largest cause of cancer death in men worldwide. 

Risk Factors

The following are some of the most common risk factors for prostate cancer:

  • Age: The risk of getting prostate cancer increases with age
  • Family history: You are at a higher risk if your father or sibling has prostate cancer
  • Weight: Being overweight may increase your risk 

Warning Signs

Many men with prostate cancer have no symptoms and would go undiagnosed without screening. Consult a family doctor if you notice any of the warning signals:

  • Bone pain
  • Frequent urination
  • Burning or weak flow while urinating
  • Blood in the urine
  • Pain or blood when ejaculating
  • Erectile dysfunction
  • Pain or discomfort when sitting 

Reducing the risk

Here are some things you can do to lower your risk of prostate cancer:

  • Get screened for prostate cancer
  • Talk with your doctor about options for risk reduction 
  • Eat a healthy diet – choose foods low in fat and eat plenty of fruits and vegetables
  • Exercise regularly 

Screening

Cancer screening refers to the process of detecting cancer before it creates symptoms or becomes incurable. Screenings should begin with a discussion of your family history, general health, and any potential problems, all of which should be shared with your doctor honestly so that they can make the best screening recommendations for you.

Routinely, prostate cancer screening begins at age 50, but depending upon a patient’s medical history, family history, or other risk factors, your doctor may recommend starting screening at an earlier age. Many times, a simple blood test, called a prostate-specific antigen (PSA) test, can detect a marker for prostate cancer. Your doctor can interpret your PSA test results and make additional recommendations.

Treatment

Over 98% of men with prostate cancer diagnosed early are treated successfully, and every diagnosis has a significant impact on a patient’s quality of life. Cure rates after therapy are better when the disease is discovered early. There is no one solution – a therapy strategy that may be ideal for one patient may be completely ineffective for another. You and your doctor will decide on the best course of action for you. Surgery, radiation therapy, chemotherapy, and active surveillance are some of the common treatments

Prostate cancer is common and treatable. Early detection and treatment can save you and your loved ones a lot of suffering and significantly impact your long-term health. Make your health a priority and see your family doctor as soon as possible if you suspect you have prostate cancer. 

Want to talk to a Praava doctor about your risk for prostate cancer? Click here to book a consultation, either online or in clinic.

World First Aid Day 2021

History

First Aid has a long history, dating back to the 11th century when knights were taught how to treat injuries on the battlefield. However, the practice was not formalized until the 19th century with the founding of the Red Cross by Henry Dunant. Dunant, a young businessman, had witnessed the aftermath of the Battle of Solferino in modern-day Italy and utilized civilians to help the wounded and provided the supplies to create temporary hospitals. This practice continued and was known as “pre-medical treatment”. In 1878, the terms “first treatment” and “national aid” were combined to create the now-familiar term “First Aid”.

World First Aid Day

First Aid has changed shape throughout the decades, but the main objective has remained the same – to save lives. To increase First Aid preparedness, there are First Aid courses, which are memorable, easy to learn, and increasingly accessible. In most countries now, first aid sessions are routinely done in all institutions whether it be to young children in a school or retail assistants in a shopping center. It is also a way for colleagues to interact, trust one another and create teamwork.

World First Aid Day was first celebrated in 2000 to create awareness and accessibility to First Aid. An annual campaign is celebrated to empower the public and make them aware of how they can save someone’s life, whether it’s a simple cut at home or at a road accident. 

Your First Aid Course and Kit

Going to a First Aid course will show you what to do if you are faced with someone who falls ill. The course is usually one day, but the skills taught stay for a lifetime. The course also shows you what you should keep at home to help with an emergency. This is called a First Aid Kit and the common items are:

  • Surgical masks
  • Cotton balls
  • Cleansing wipes
  • Thermometer
  • Instant cold packs
  • Disposable gloves
  • Medicines – Laxatives, Antacid, Antihistamine, pain relievers, anti-diarrhea, and cough and cold medicine
  • Tapes and bandages
  • Gels and lotions
  • Syringe
  • Scissors and tweezers
  • Safety pins

 

Visualize the must haves of a first aid kit

Source: NEWS18

Whether for yourself, your family, or for your company, it is essential that all individuals attend a First Aid course so they are knowledgeable and well equipped for a medical emergency. Part of the Bangladesh Red Crescent Society’s mission is ensuring all global citizens can attend a First Aid course. There are various aspects to the First Aid course. It will teach you how to deal with different emergency scenarios such as choking or caring for a wound as well as addressing more serious situations like recognizing life-threatening signs and what immediate action to take. 

All First Aid courses contain the same content globally, so it does not matter where you are in the world – everyone will follow the same rules. Many people find the thought of doing a course daunting. However, First Aid is taught in a simplistic fashion so it is easy to remember, using easy phrases like ABC (Airway, Breathing, and Circulation). By remembering these easy phases, you can feel calm and in control in an emergency and give the care that is needed. 

If you are interested in attending a course and getting your First Aid certificate then please contact the Bangladesh Red Crescent Society.

শিশুর মাতৃদুগ্ধপান নিশ্চিত করণে সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব

“বোতলের দুধ শিশুর পেট ভর্তি করে, কিন্তু ব্রেস্টফিডিং তার আত্মা পূরণ করে।”

সন্তানের সাথে একজন ব্রেস্টফিডিং দেওয়া মায়ের একটি শক্তিশালী মানসিক এবং শারীরিক বন্ধন গড়ে ওঠে। প্রসব পরবর্তী সময়ে নতুন মাকে তার প্রসববেদনা কাটানোর সময় দিতে এবং ব্রেস্টফিডিং শুরু করার জন্য একজন সাহায্যকারী ব্যাপকভাবে সহায়তা করতে পারে। এবছরের ওয়ার্ল্ড ব্রেস্টফিডিং উইক (ডব্লিউবিডব্লিউ) এর থিম হল “মাতৃদুগ্ধ দান সুরক্ষায় সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব“, যার মূল প্রতিপাদ্য হলো ব্রেস্টফিডিং কীভাবে সবার জীবন, স্বাস্থ্য এবং সুখের উৎস হয়ে ওঠে।

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ প্রতি বছর ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান দুটি উদ্দেশ্য হলো শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং মায়েদের ব্রেস্টফিডিং জন্য উৎসাহিত ও সহায়তা করা।

ব্রেস্টফিডিং এর জন্য অনুসরনীয়

  • শিশুর জন্মের আধ ঘন্টার মধ্যে ব্রেস্টফিডিং শুরু করা উচিৎ।
  • ৬ মাস পর্যন্ত কেবলমাত্র ব্রেস্টফিডিং যথেষ্ট (এমনকি এক ফোঁটা পানিও নয়)।
  • ৬ মাস থেকে শুরু করে ২ বছর পর্যন্ত ব্রেস্টফিডিং চালু রেখেই অন্যান্য খাবার যোগ করুন।

ব্রেস্টফিডিং এর সুবিধা

শিশুদের জন্য

  • কলোস্ট্রাম, যার মধ্যে IG A আছে। এর মধ্যে উচ্চ ক্যালোরি এবং রেচক ক্রিয়া (ল্যাক্সেটিভ) রয়েছে যা নবজাতকদের জন্য প্রথম প্রতিষেধক টিকার মত কাজ করে
  • মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য পরিপূর্ণ খাবার সরবরাহ করে
  • সহজ হজম প্রক্রিয়া
  • বুকের দুধে রয়েছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন, সেলুলার উপাদান এবং বিফিডাস ফ্যাক্টর এটি সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
  • মস্তিষ্ক ও বুদ্ধিমত্তা বিকাশে সহায়তা করে
  • এলার্জি থেকে রক্ষা করে
  • ডায়াবেটিস, সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোম (এসআইডিএস), স্থূলতা এবং শৈশবের ক্যান্সারের হার কমায়
  • শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা গড়ে তোলে
  • বুকের দুধ খাওয়া শিশু তুলনামূলকভাবে অসুস্থতা জনিত কারনে হাসপাতালে কম ভর্তি হয়

মায়ের জন্য:

  • শিশু এবং মায়ের বন্ধন দৃঢ় করে
  • যদি কেবলমাত্র ব্রেস্টফিডিং করানো হয় তাহলে তা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ করে
  • প্রসব পরবর্তী রক্তপাত কমায়
  • প্রসবের পর বুকের দুধ তৈরি ও আব্যাহত রাখতে ব্রেস্টফিডিং করলে, প্রতিদিন প্রায় ৫০০ অতিরিক্ত ক্যালোরি ব্যয় হয় যা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে
  • জরায়ুর ইনভল্যুশনে সহায়তা করে
  • ডিম্বাশয় এবং স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে

ব্রেস্টফিডিং এর বিকল্প

যদিও ব্রেস্টফিডিং শিশু এবং মা উভয়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে কিছুক্ষেত্রে বাস্তবতা হলো অনেক মহিলা বিভিন্ন কারণে ব্রেস্টফিডিং করাতে পারেন না। তার কয়েকটি উদাহরণ হতে পারে- অতীতের ব্রেস্ট সার্জারি, কেমোথেরাপি, অনিরাময়যোগ্য অসুস্থতা, কম দুধ সরবরাহ, অথবা তাদের সন্তানের বুকের দুধের কোনও কিছুতে অ্যালার্জি রয়েছে কিনা। এক্ষেত্রে মায়েদের দোষ না দিয়ে বরং তাদের এবং তাদের শিশুর জন্য কোন পদ্ধতিগুলি সর্বোত্তম কাজ করবে তা খুঁজে বের করার জন্য গুরুত্ব দেওয়া।

ফর্মুলা ফিড একটি শিশুর মায়ের বুকের দুধের পুষ্টির বিকল্প হতে পারে। এরমধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি ভিটামিন উপাদান যা নবজাতকের ব্রেস্টফিডিং এর প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। মিল্ক ডোনার হতে পারে অন্য একটি বিকল্প। মা এবং শিশু উভয়ের জন্য উপকারী হবে এমন সর্বোত্তম কর্মপরিকল্পনা পেতে একজন ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

কার্যকর ব্রেস্টফিডিং এর লক্ষণ

  • প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ বার বুকের দুধ খাওয়ানো
  • শিশুর একদিনে প্রায় ৬ থেকে ৮ বার ডায়পার ভেজা থাকা উচিৎ
  • শিশুর প্রতিদিন সর্বনিম্ন ৩ থেকে ৪ বার অন্ত্রের নড়াচড়া (মলত্যাগ) করা উচিৎ
  • জন্মের দশম দিনের মধ্যে, শিশু তার জন্মের ওজন ফিরে পাবে

ব্রেস্টফিডিং করানোর সময় শিশুর অবস্থান এবং সংযুক্তি

ব্রেস্টফিডিং করানোর সময় শিশুর অবস্থান:

  • শিশুর পুরো শরীরকে সাপোর্ট দেওয়া
  • নিশ্চিত করুন যে শিশুর মাথা, ঘাড় এবং পিঠ সব একই সমতলে রয়েছে
  • শিশুর পুরো শরীর মায়ের মুখোমুখি হওয়া উচিৎ
  • শিশুর পেট মায়ের পেটে স্পর্শ করা উচিৎ

মায়ের স্তনে শিশুর যথাযথ সংযুক্তি

  • শিশুর মুখ প্রশস্ত ভাবে পুরোপুরি খোলা থাকবে
  • নীচের ঠোঁট বাইরের দিকে ঘোরানো থাকবে
  • শিশুর থুতনি মায়ের স্তন স্পর্শ করে থাকবে
  • বেশিরভাগ অ্যারিওলা (স্তনবৃন্তের চারপাশের ঈষৎ রঞ্জিত স্থান) শিশুর মুখের ভিতরে থাকা উচিৎ

ব্রেস্টফিডিং এর সময় মায়েদের জন্য পুষ্টি

  •  দৈনিক আট গ্লাস তরল (কমপক্ষে অতিরিক্ত ১ লিটার তরল) পান করুন
  • আয়রন সম্পূরক মাল্টিভিটামিন নিন
  • ব্রেস্টফিডিং চলাকালীন মায়েদের প্রতিদিন ৫০০+ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে
  • সুষম খাদ্য খান
  • ক্যাফিনযুক্ত পানীয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ অথবা প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিৎ

কোভিড-১৯ এর সময় ব্রেস্টফিডিং

বুকের দুধ এবং ব্রেস্টফিডিং এর মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমণ হয়েছে তা নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। মা কোভিড-১৯ পজিটিভ হলেও ব্রেস্টফিডিং চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্রেস্টফিডিং চলাকালীন মায়েরা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিতে পারেন। ব্রেস্টফিডিং করানো মায়েরা যারা কোভিড-১৯ এমআরএনএ টিকা পেয়েছেন তাদের বুকের দুধে অ্যান্টিবডি আছে যা তাদের নবজাতকদের সুরক্ষা প্রদান করে।

মহামারীর সময় মা এবং শিশুদের নিরাপদ রাখার টিপস:

  • বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় থ্রি ডাব্লু অনুশীলন করুন:
  • বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মুখে মাস্ক পড়ুন
  • শিশুকে স্পর্শ করার আগে ও পরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন
  •  চারপাশ নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখুন
  • আপনি অসুস্থ থাকলে বা ব্রেস্টফিড করাতে না পারলে আপনার শিশুকে নিষ্কাশিত বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য একটি কাপ এবং চামচ ব্যবহার করুন।
  •  মা যদি ব্রেস্টফিড করাতে অক্ষম হন তবে ফর্মুলা ফিডিং এর সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন।

আপনার গাইনোকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন

আপনার শিশু এবং ব্রেস্টফিডিং সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন থাকলে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। যে কোনসময় যদি আপনি উল্টা বা সমতল নিপলস লক্ষ্য করেন, আপনার নিপল যদি ব্যথা করে, ব্রেস্ট ফুলে ওঠে, ব্রেস্টে ফোঁড়া অনুভব করেন, অথবা যদি পর্যাপ্ত দুধ না থাকে তবে আপনার ডাক্তারের সাথে তখনই কথা বলুন। এতে করে আপনি আপনার এবং আপনার শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা পেতে পারেন।

ব্রেস্টফিডিং চলাকালীন মাকে সহায়তা করুন

সকল মায়েরই সাহায্যের প্রয়োজন হয় এবং তার সাথে আপনার সম্পর্ক যাই হোক না কেন, তাকে সহায়তা করার জন্য আপনি যা যা করতে পারেন:

  • নিশ্চিত করুন যে তার শক্তি বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করছে
  • একে অপরের সাথে কিছু নিরবচ্ছিন্ন সময় কাটানোর চেষ্টা করুন
  •  শিশুটিকে আপনার কাছে রাখুন যাতে সে বিরতি নিতে পারে
  • শিশুর দায়িত্ব গুলোতে সহায়তা করুন, যেমন- ন্যাপি পরিবর্তন, গভীর রাতে শিশুকে নিয়ে পায়চারি করা
  • সে যেখন ঘুমায় তখন শিশু কাঁদলে, শিশুকে আপনি শান্ত করুন যাতে মায়ের ঘুম না ভাঙ্গে

একজন মাকে ব্রেস্টফিডিং করতে শেখার ক্ষেত্রে- জ্ঞান, উৎসাহ এবং সমর্থন সবই সমান গুরুত্বপূর্ণ। যদি তার ব্রেস্টফিডিং করাতে অসুবিধা হয়, তার সঙ্গী তাকে উৎসাহিত করতে পারে এবং চ্যালেঞ্জ গুলি কাটিয়ে উঠতে তাকে সহায়তা করতে পারে। ব্রেস্টফিডিং একটি দায়িত্ব যা পিতামাতা উভয়কেই ভাগ করে নিতে হবে।

Protect breastfeeding: a shared responsibility

“Bottles fill his stomach, but breastfeeding fills his soul.” A breastfeeding mother has a strong emotional and physical bond with her child. A pair of practical helping hands can help tremendously postpartum giving a new mother time to recover from her labor and start breastfeeding. The theme for World Breastfeeding Week (WBW) 2021 is “Protect breastfeeding: a shared responsibility,” which highlights how breastfeeding benefits everyone’s survival, health, and happiness.

World Breastfeeding Week takes place every year from August 1 to 7 and its two main objectives are to improve the health of babies and to encourage and support women to breastfeed.

Rules of breastfeeding

  • Breastfeeding should begin within half an hour of birth.
  • 6 months of exclusive breastfeeding (not even a drop of water).
  • Starting at 6 months, add food while continuing to breastfeed for up to 2 years.

Advantages of breastfeeding

For Babies

  • Colostrum, which includes IG A and has a higher calorie and laxative action, is the first immunization for newborns
  • Breast milk provides a complete meal for a baby
  • Easily digestible
  • Because it contains immunoglobulins, cellular components, and Bifidus factor, it protects  against infection
  • Aid in brain development and IQ
  • Protects from allergy
  • Lower rates of diabetes, Sudden Infant Death Syndrome (SIDS), obesity, and childhood cancer 
  • Stronger immune systems
  • Less illness overall and less hospitalization

For Mother:

  • Promotes child and mother bonding
  • Natural form of birth control, only if exclusively breastfeeding
  • Less postpartum bleeding
  • To create and sustain a milk supply, breastfeeding  burns roughly 500 additional calories each day after delivery, promoting faster weight loss
  • Helps in the involution of the uterus
  • Reduces risk of ovarian and breast cancer, diabetes, hypertension, and cardiovascular disease

Alternatives to breastfeeding

Although breastfeeding is highly beneficial for both the child and mother, the reality is that many women cannot breastfeed for various reasons. A few examples of why women are unable to breastfeed stem from past breast surgery, chemotherapy, incurable illnesses, having a low milk supply, or if their child is allergic to something in their breast milk. It is important that mothers are not judged, rather they are given space to discover which methods work best for them and their baby. 

Infant formula feeds are a nutritional alternative to breast milk, containing several vitamins and elements that breastfed newborns require. Other alternatives could include using milk donors. Talk to a doctor to get the best plan of action that would be beneficial for both mother and child.

Signs of effective breastfeeding

  • 8-12 times feeding daily
  • Infants should have about 6-8 wet diapers in a day 
  • Infants should have a minimum of 3-4 bowel movements every day
  • By the tenth day of life, infants have regained their birth weight

Positioning and attachment of baby while breastfeeding

While breastfeeding the position of the baby includes:

  • Supporting the baby’s whole body
  • Ensure the baby’s head, neck, and back are all on the same plane.
  • Baby’s entire body should face the mother
  • Baby’s abdomen should touch mother’s abdomen. 

Proper attachment of baby on mother’s breast 

  • Baby’s mouth wide open
  • Lower lip turned outwards
  • Baby’s chin should touch the mother’s breast
  • Majority of the areola should be inside the baby’s mouth

Nutrition for mothers while breastfeeding

  • Drink eight glasses of fluid (at least 1 extra liter of fluid) daily
  • Take a multivitamin with iron supplements
  • Breastfeeding mothers need to consume 500+ calories daily
  • Eat a well-balanced diet
  • Caffeinated beverages should be avoided or limited to one to two cups per day.

Breastfeeding during COVID-19

There’s not enough data to confirm the transmission of COVID-19 through breast milk and breastfeeding. It is recommended to continue breastfeeding even if the mother is COVID positive, and lactating mothers can receive a COVID-19 vaccine. Breastfeeding mothers who have received COVID-19 mRNA vaccinations have antibodies in their breast milk, which provides protection for their newborns. 

Tips for keeping mothers and babies safe during the pandemic:

  • Practice the 3 Ws while feeding:
    • Wear a mask during feeding
    • Wash hands with soap before and after touching the baby 
    • Wipe and disinfect surfaces regularly
  • When you’re too unwell to breastfeed, use a cup and spoon to feed your baby extracted breastmilk.
  • If the mother is unable to breastfeed, use extra caution during formula feeding.

Talk to your gynecologist

Consult with your doctor if you have any questions regarding your baby and breastfeeding. At any time if you notice inverted or flat nipples, if your nipples feel sore, breast engorgement, breast abscess, or if there’s not enough milk, talk to your doctor right away to help you manage your and your baby’s health. 

Support a breastfeeding mother

All mothers require assistance, and no matter your relationship with her, there are things you can do to assist her:

  • Make sure she has food and drinks to keep up her energy
  • Make an effort to spend some uninterrupted time with each other
  • Hold the baby so she can take a break
  • Help with baby duties – nappy change, late-night strolls
  • Comfort crying babies while she gets some sleep

As a mother learns to breastfeed, knowledge, enthusiasm, and support are all important. If she is having difficulty breastfeeding, her partner can encourage her and assist her in overcoming challenges. Breastfeeding is a responsibility that must be shared by both parents.