আকুপাংচার – ওষুধ ছাড়াই সুস্থ হওয়ার পন্থা

দেহের বিভিন্ন পয়েন্টে নানান আকৃতির জীবাণুমুক্ত সূচ ঢুকিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রেখে চিকিৎসা করাই আকুপাংচার। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৭৯ সালে আকুপাংচারকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ২০০৩ সালে একই সংস্থা উল্লেখ করে যে, ১০৩টি শারীরিক সমস্যার সমাধানে আকুপাংচার কার্যকর ভূমিকা রাখে। অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি যখন বেশ কিছু রোগের চিকিৎসায় ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, তখন সে রোগগুলোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত আকুপাংচারচীনে উদ্ভুত প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরনো এই চিকিৎসাপদ্ধতি বর্তমানেও ১২০টি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

যেসব রোগে আকুপাংচার কার্যকর:

  • অনিদ্রা (insomnia)
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা (stress)
  • স্বাভাবিক মাথা ব্যাথা
  • মাইগ্রেন এর ব্যথা
  • দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্ণতা
  • কোমর ব্যাথা
  • সার্ভাইকাল ও লাম্বার  ডিস্ক  প্রল্যাপস(Cervical and lumber disk prolapse)
  • ফ্রোজেন সোল্ডার
  • সায়াটিকা (sciatica)
  • বাতের ব্যাথা, (Arthritis) 
  • স্পোর্টস ইনজুরি (Argonomy)
  • অটিজম, সেরিব্রাল পলসি, ডাউন সিন্ড্রোম
  • হাঁপানি,  সাইনোসাইটিস 
  • শুষ্ক কাশি
  • হার্টের ব্যাথা (Anginal pain)

 

  • স্ট্রোক থেকে সৃষ্ট প্যারালাইসিস
  • ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া
  • ডায়বেটিক নিউরোপ্যাথী 
  • পলিনিউরাইটিস, পলিনিউরোপ্যাথী
  • ফ্যাসিয়াল পলসি (গাল বাকা)
  • হাত কাপা (tremor) 
  • খিচুনি (seizure)
  • ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
  • পুরুষদের যৌন  সমস্যা 
  • স্ত্রীদের বন্ধাত্ব
  • বিভিন্ন স্ত্রীরোগ (মাসিক সংক্রান্ত)
  • দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যা 
  • আই বি এস (irritable bowel syndrome)
  • বদহজম
  • দীর্ঘমেয়াদী ঘন ঘন মলত্যাগ 
  • ধূমপান পরিত্যাগ (smoking cessation)

 

আকুপাংচার কিভাবে কাজ করে:

আকুপাংচারবিদ্যা অনুযায়ী, মানুষের শরীরে  অনেকগুলো চ্যানেল বা মেরিডিয়ান রয়েছে যার মধ্যেই আকুপাংচার পয়েন্ট অবস্থিত ।  এই চ্যানেলের মাধ্যমে Biological Energy প্রবাহিত হয়।  চাইনিজ ভাষায় এই Energy কে  (Qi) ‘চি’ বলা হয়। সুস্থ থাকতে হলে এই ”চি” এর ভারসাম্য থাকা অপরিহার্য। কোন কারণে “চি” প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলে ও ভারষাম্য নষ্ট হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় ফলে, বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দেয় । চিকিৎসার সময় কিছু ‘ডিস্টার্বড পয়েন্ট’,’ডিস্টাল পয়েন্ট’ ও কিছু ‘লোকাল পয়েন্ট’ খুঁজে বের করা হয় এবং তাদের উপর জীবাণুমুক্ত আকুপাংচার নিডেল অনুপ্রবেশ করানো হয়।  সরু নিডেল শরীরের বিভিন্ন পয়েন্টে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নার্ভ স্টিমুলেট করে চিকিৎসা করা হয়। এই স্টিমুলেশনের ফলে রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে এবং মস্তিষ্ক উদ্দীপিত হয়, যার ফলে ব্যথানাশক রাসায়নিক উপাদান নিঃসরণ করে। 

মেডিক্যা্ল ফিজ়িয়োলজির মতে, মানুষের সমস্ত রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা শরীরের মধ্যেই রয়েছে। সেখানে অসামঞ্জস্য হলেই মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।  আরও বিশদভাবে বলতে গেলে, প্রাকৃতিকভাবেই আমাদের শরীরে ব্যথা কমানোর হরমোন  আছে। এই হরমোন মস্তিষ্কের মিডব্রেন ও মেডুলা থেকে বের হয় এবং দেহের বাইরের অঙ্গগুলো থেকে ব্যথার অনুভূতি বয়ে আনা ”নার্ভ ইম্পালসের” সঙ্গে একত্রিত হয়ে স্পাইনাল কর্ডে মিলিত হয়। মস্তিস্ক থেকে আসা, এই ব্যথা কমানোর নার্ভ ইম্পালস, এন্ডোরফিন হরমোন ক্ষরণ করতে সাহায্য করে। 

১৯৭০ এর দিকে বিজ্ঞানীরা এন্ডোরফিন নামক এই রাসায়নিক পদার্থ চিহ্নিত করেছিলেন যা ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে এবং আনন্দ দেয়।

গবেষণায় এটি এখন সুনিশ্চিতভাবে জানা গেছে যে, আকুপাংচার এই এন্ডোরফিনের ক্ষরণ বাড়ায় বা এন্ডোরফিনের প্রবাহ তৈরি করে। ফলে শরীরের এই নিজস্ব ব্যথা কমানোর ”নার্ভ ইম্পালস”,  সক্রিয় হয়ে শরীরের ব্যথা কমিয়ে দেয় ।  এ পদ্ধতিটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে যন্ত্রণা বিহীন চিকিৎসা প্রদান করতে সক্ষম যা প্রযোজ্য আকুপাংচারিস্ট ফিজিশিয়ান এর কর্মদক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। ক্ষেত্রবিশেষে এই চিকিৎসা মাত্র ১০থেকে ৩০ মিনিটকাল স্থায়ী হতে পারে।

আকুপাংচার চিকিৎসার বৈশিষ্ট্যসমূহ: 

১. আকুপাংচারের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। 

২. ওষুধের প্রয়োজন হয় না, তাই ওষুধজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। 

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় সুতরাং পুনরায় রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। 

বলা বাহুল্য যে, অন্য কোন চিকিৎসা পদ্ধতিতে সম্ভব হয় না এমন কিছু জটিল রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব এই আকুপাংচার এর যথার্থ প্রয়োগ এর মাধ্যমে। তবে রোগীকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী আকুপাংচারিষ্ট ফিজিসিয়ানকে এই বিজ্ঞান সম্পর্কে যথাযথ শিক্ষা, পর্যাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রাখার কোনো বিকল্প নেই।

সময়ের সাথে এই আকুপাংচার পদ্ধতি এর নতুন সংস্করণ হিসেবে ইলেক্ট্রো আকুপাংচার ও লেজার আকুপাংচার এর ব্যাবহার উন্নত বিশ্বে চোখে পড়ার মতন ও ব্যাপক সমাদৃত।

How does eating healthy food and fasting in Ramadan affect the body?

As the Ramadan approaches, we are looking forward to breaking our fast with family and friends. It’s a time for celebration for 30 days and most Bangladeshis indulge in rich food with high calories, with less physical activity. Some of us may overlook the fact that, fasting( abstaining from food & drinks from dawn to dusk) can be beneficial for us if we maintain a healthy and balanced eating pattern. Evidence suggests, that by following simple guidelines it is possible for us to lose weight, and improve our blood pressure and cholesterol levels.

 

How does fasting affect the body?

 

Glucose is the body’s main source of energy which we mainly get from carbohydrates. It provides energy to our brain, muscle, and tissues to function and the excess is stored in the liver and muscles and converted to fat. The body actually enters fasting mode eight hours after the last meal. When it has replenished the stored glucose,  it starts burning fat for energy, hence some of us lose weight. It is important to note the body cannot store water, therefore, during fasting the kidneys tries to conserve the amount lost. It is critical to replenish the body with balanced nutrition and hydration between Seheri and Iftar to prevent fatigue and dehydration.

 

What to eat and drink for Seheri & Iftar

 

You have to balance your Iftar and seheri with key nutrients and include all food groups: 

-Complex carbohydrates (whole grains-oats, barley, brown bread & rice, fruits & vegetables, legumes) for long-lasting source of energy, 

-Fluid rich fruits and vegetables (example- watermelon, cucumber, tomato, lettuce) for vitamins & minerals, fibre & hydration

Low-fat dairy (low-fat yogurt, milk) for calcium, riboflavin, iodine

Protein-rich foods ( meat, fish, eggs, legumes, dairy) maintain muscle mass

-Small amount of healthy fats (olive oil, nuts, avocado, seeds) to absorb nutrients

 

Seheri- A lighter meal is preferable focusing on key nutrients. Choosing whole-grain varieties and fluid-rich foods keeps you fuller for longer and hydrated. 

 

Iftar- You can open your fast with 1-2 dates as is the tradition, remember dates are a source of fibre and potassium but also rich in calories. It is important to eat your Iftar slowly as eating too quickly may cause heartburn or bloating.

 

Hydration- Drink 1.5- 2 litres of fluids from Iftar to seheri to prevent dehydration and constipation. Break down your fluid intake, and sip gradually in intervals, drinking too quickly may cause bloating. Water hydrates you without adding extra calories. Milk and fruit-based drinks are best taken without added sugars.

 

Foods to avoid 

 

Salt, spices & seasonings– Better to avoid salty & spicy foods(pickles, olives, fries) as they absorb water from the body, increase acidity and stimulate thirst.

 

Sugar, processed & deep-fried foods- Low in nutrients, promote weight gain, indigestion, and thirst.

 

Caffeine- Tea and coffee have diuretic properties. Stimulates the body to lose water quickly.

 

Carbonated drinks– Carbon causes flatulence, causes a feeling of fullness, and prevents the body to use fluids.

 

Cold fluids- Drinking iced cold fluids beginning of Iftar reduces the efficiency of digestion leading to digestive disorders. Have it mildly cool and drink it slowly.

 

A person with any health condition and taking medications including pregnancy, breastfeeding, and diabetics should consult with a doctor before fasting.

 

Ms Tazreen Mallick (RD)
BSc Dietetics and Nutrition (UK)
Grid (National Kidney Foundation, USA)
Clinical Dietitian, National Kidney Foundation and Research Institute
Visiting Consultant, Praava Health

সবার প্রয়োজন ভিটামিন-ডি: যা জানা জরুরী

ভিটামিন ডি রৌদ্রজ্জ্বল ভিটামিন নামেও পরিচিত। এটিই একমাত্র ভিটামিন যা আমাদের শরীর সূর্যের রশ্মি থেকে তৈরি করে। ভিটামিন-ডি কে যদিও চর্বি দ্রবণীয় ভিটামিন বলা হয় কিন্তু বাস্তবে এটি একটি হরমোন। আমাদের প্রাণবন্ত স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন-ডি খুবই জরুরি কারণ এটি আমাদের শরীরের প্রায় সমস্ত ক্রিয়াকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভিটামিন আমাদের হাঁড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন-ডি আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে, আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, পেশী গুলোর সঠিক কার্যকারিতায় সহায়তা করে, আমাদের হৃদযন্ত্র এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে সাপোর্ট করে।

 

বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা যায়, ভিটামিন ডি এর ঘাটতি আবশ্যই একটি বড় চিন্তার বিষয় –

 

  • জন্মের জটিলতা – প্রি-একল্যাম্পসিয়া, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এবং অকালে জন্মের ঝুঁকি বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত

 

আমরা কীভাবে জানব যে আমাদের ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি রয়েছে?

 

যে কোনো বড় রোগের সম্ভাবনা প্রতিরোধ করার জন্য প্রত্যেকেরই নিয়মিত তাদের ভিটামিন ডি এর মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। কিছু লক্ষণ প্রতিনিয়ত খেয়ালে রাখা উচিত, যেমন- পেশী দুর্বলতা, জয়েন্ট এবং হাড়ে ব্যথা, ক্লান্তি, মন খারাপ থাকা।

 

ভিটামিন ডি ৩ টি উৎস থেকে পাওয়া যায়

 

সূর্য- প্রতিদিনের ভিটামিন ডি এর প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে দিনের মাঝামাঝি সময়ে খালি গায়ে সূর্যের আলোর নিচে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের এক্সপোজারই যথেষ্ট হতে পারে। তবে বেশ কিছু কারণ রয়েছে যা আমাদের ভিটামিন ডি গ্রহন করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করেতে পারে, যেমন পৃথিবীর অবস্থান, ত্বকের এক্সপোজার, ত্বকের রঙ (দক্ষিণ এশীয়দের গাঢ় ত্বকের কারণে ঘাটতির সম্ভাবনা বেশি) এবং বয়স।  যদিও বাংলাদেশ একটি ক্রান্তীয় দেশ তবুও ভিটামিন ডি এর অভাব বিশেষ করে শিশু ও মহিলা জনসংখ্যার মধ্যে প্রকট।

 

খাদ্য- ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে  খুব বেশি পাওয়া যায় না এবং বেশিরভাগই প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। বেশ কিছু খাবারে এই ভিটামিন পাওয়া যায় যেমন-তৈলাক্ত মাছ-পাঙ্গাশ, ইলিশ, স্যামন, কার্প, ট্রাউট, লাল মাংস, ডিমের কুসুম এবং ভিটামিন ডি-দুধ, ব্রেকফাস্ট সিরিয়ালস, জুস।

 

সম্পূরক- আমাদের যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে সূর্যের এক্সপোজার থাকে তবে সম্পূরকের প্রয়োজন নাও হতে পারে তবে যেহেতু বাংলাদেশে মহিলা ও শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাব রয়েছে, তাই পরিপূরক গুলোর প্রয়োজন হয়। ২ ধরনের সম্পূরক D2 (ergocalciferol) এবং D3 (cholecalciferol) আছে। D3 প্রয়োজনীয়তা পূরণে অধিক কার্যকর এবং D2 নিরামিষাশীদের জন্য উপযুক্ত।

 

যেহেতু এটি একটি চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, তাই স্বাস্থ্যকর চর্বির সাথে এই সম্পুরকগুলো গ্রহণ করা হলে এটি ভালোভাবে শরীরে কাজ করে। খাবারের সাথে পরিপূরক গ্রহণ করা উচিত। যে সকল ব্যক্তিরা দ্রুত মুটিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্যও সম্পূরক গ্রহণ করা দরকার কারণ তারা ভিটামিন ডি এর অভাবের জন্য এসব সমস্যায় আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকেন।

 

আমাদের কতটুকু ভিটামিন ডি প্রয়োজন?

 

১ থেকে ৭০ বছর বয়সী বেশিরভাগ লোকের প্রতিদিন প্রায় ১০-১৫ মাইক্রোগ্রাম (৪০০-৬০০ আইইউ) ভিটামিন ডি প্রয়োজন। এই পরিমাণটিকে যথেষ্ট এবং নিরাপদ বলে মনে করা হয়, তবে যাদের অভাব রয়েছে তাদের জন্য প্রয়োজনীয়তার মাত্রা বেশি হতে পারে। জন্ম থেকে ১ বছর পর্যন্ত শিশুদের প্রতিদিন ৮.৫-১০ মাইক্রোগ্রাম (৩৪০-৪০০ আইইউ) এর মধ্যে ভিটামিন ডি প্রয়োজন।

 শরীরে খারাপ প্রভাব যেমন টক্সিসিটি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই তবে দীর্ঘ সময় ধরে যদি পরিপূরকের উচ্চ ডোজ গ্রহণ করা হয় তবে এটি ঘটতে পারে। অনেক সময় এটি ক্যালসিয়াম বিল্ডআপের কারণ হতে পারে যা হাড়কে দুর্বল করতে পারে।

 

তাজরিন মল্লিক (আরডি)
BSc Dietetics and Nutrition (UK)
Grid (National Kidney Foundation, USA)
Clinical Dietitian, National Kidney Foundation and Research Institute
Visiting Consultant, Praava Health

Every body needs Vitamin D: Here is everything you need to know

Vitamin D is our sunshine vitamin. The only vitamin our body makes itself from rays of the sun. It is called a fat soluble vitamin but in reality it is a hormone. It is vital for vibrant health as it plays key role in almost all our body functions. It is critical for our bone health as it balances the calcium and phosphorus levels in our body, strengthens our immune system, helps with proper functioning of muscles, supports our heart & mental health.

 

Deficiency is a major concern as research links it to

 

  • Birth complications– associated with increased risk of pre-eclampsia, gestational diabetes and pre term birth

 

How do we know we are deficient in vitamin D?

 

Everyone should check their vitamin D levels regularly to prevent any major concerns. Some signs may be muscle weakness, achy joints and bones, fatigue, low mood

 

There are only 3 sources of vitamin D

 

Sun- 15-20 minutes exposure to sunlight on bare skin in mid day can be enough to meet our vitamin D requirements per day, but there are factors that impacts our ability to absorb such as location of the earth, skin exposure, colour of the skin (south asian more prone to deficiency due to darker skin) and age.  Even though Bangladesh is a tropical country vitamin D deficiency is prevalent specially in children and female population.

 

Food- There are limited number of food that contain vitamin D, and are mostly insufficient to meet recommended daily needs. Oily fish- Pangaish, hilsa, salmon, carp. trout, 

red meat, egg yolks and food fortified with vitamin D- milk, breakfast cereals, juice 

 

Supplements- Supplements may not be needed if we have enough sun exposure but since Bangladesh has prevalent vitamin D deficiency among female and children, supplements are required. There are 2 kinds of supplements D2 (ergocalciferol) and D3 (cholecalciferol). D3 is more effective in meeting requirements and D2 is suitable for vegetarians.

 

Since it is a fat soluble vitamin it is best absorbed when taken with healthy fats. Supplements should be taken with food. Individuals in obese category need to take a supplement as they are more susceptible to deficiency.

 

How much vitamin D do we need?

 

Most people between the age of 1 to 70 years need about 10-15 micrograms (400-600 IU) per day. It is considered enough and safe, but for people who are deficient the requirement tends to be higher. Babies from birth to 1 year need between 8.5-10 micrograms (340-400 IU) per day.

Toxicity is rare but may occur if high dose of supplement is taken over a long time. This can cause calcium buildups which may weaken bones.

 

Ms Tazreen Mallick (RD)
BSc Dietetics and Nutrition (UK)
Grid (National Kidney Foundation, USA)
Clinical Dietitian, National Kidney Foundation and Research Institute
Visiting Consultant, Praava Health

রমজানে স্বাস্থ্যকর খাবার ও রোজা কীভাবে শরীরের উপর প্রভাব ফেলে?

রমজান আসার সাথে সাথে, আমরা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আমাদের রোজা পালনের অপেক্ষায় আছি। এই সময়টিকে আমরা ৩০ দিনের জন্য উদযাপন করি। এই সময় বেশিরভাগ বাংলাদেশীদের মধ্যে জীবন যাত্রার একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, যেমন-অনেকেই রোজা রেখে কম শারীরিক পরিশ্রম করে আর একই সাথে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাদ্য তালিকায় যোগ করেন। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বুঝতেই পারেন না যে, রোজা রাখা (ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকা) আমাদের জন্য উপকারী হতে পারে যদি আমরা একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাওয়ার প্যাটার্ন বজায় রাখি।  বিভিন্ন প্রমাণপত্র থেকে জানা যায়, কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে আমাদের পক্ষে ওজন কমানো, আমাদের রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব।

রোজা কীভাবে শরীরের উপর প্রভাব ফেলে?

গ্লুকোজ হলো আমাদের শরীরের শক্তির প্রধান উৎস যা আমরা প্রধানত কার্বোহাইড্রেট থেকে পাই। এটি আমাদের মস্তিষ্ক, পেশী এবং টিস্যুগুলিকে কাজ করার জন্য শক্তির যোগান দেয়। কিন্তু অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট লিভার এবং পেশীগুলিতে জমা হয় যা এক সময় চর্বিতে পরিণত হয়। শরীর আসলে শেষ খাবার গ্রহন করার সময় থেকে পরবর্তি আট ঘন্টা পরে রোজা মোডে প্রবেশ করে। যখন শরীর জমিয়ে রাখার মত গ্লুকোজটি পুনরায় পূরণ করে, তখন এটি শক্তির জন্য চর্বি পোড়াতে শুরু করে, তাই আমাদের মধ্যে কারো কারো ওজন কমে যায়। এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে শরীর পানি সঞ্চয় করতে পারে না; তাই কিডনি রোজা কালীন সময় কমে যাওয়া পানির অনেকখানি সংরক্ষণ করার চেষ্টা করে। ক্লান্তি এবং ডিহাইড্রেশন রোধ করার জন্য সেহেরি এবং ইফতারের মধ্যে সুষম পুষ্টি এবং হাইড্রেশন দিয়ে শরীরকে পুনরায় পূরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

সেহেরি ও ইফতারের জন্য কী খাবেন এবং পান করবেন

আপনাকে প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলির সাথে আপনার ইফতার এবং সেহেরির ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে এবং বিভিন্ন প্রকার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:

জটিল কার্বোহাইড্রেট (পুরো শস্য দানা-ওটস, বার্লি, ব্রাউন ব্রেড অ্যান্ড রাইস, ফল ও শাকসবজি, শিম) শক্তির দীর্ঘস্থায়ী উৎসের জন্য,

– ভিটামিন এবং খনিজ, ফাইবার এবং হাইড্রেশন জন্য পানি সমৃদ্ধ ফল এবং শাকসব্জী (উদাহরণস্বরূপ- তরমুজ, শসা, টমেটো, লেটুস)

–  ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্লাভিন, আয়োডিনের জন্য কম চর্বিযুক্ত দুধ (কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ)

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার (মাংস, মাছ, ডিম, শিম, দুগ্ধ) পেশী ভর বজায় রাখা ও

পুষ্টির জন্য অল্প পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (জলপাই তেল, বাদাম, অ্যাভোকাডো, বীজ) বেশ কার্যকারী।

 

সেহেরি- এই সময়ে হালকা খাবার বেছে নেওয়া ভালো, একই সাথে বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি মানের দিকে খেয়াল দিতে হবে। সম্পুর্ন শস্য দানার বিভিন্ন জাত এবং তরল সমৃদ্ধ খাবারগুলি খাদ্য তালিকার জন্য বেছে নিন, এগুলো আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে পুষ্টির যোগান দেবে এবং আপনাকে হাইড্রেটেড রাখবে।

 

ইফতার- আপনি ঐতিহ্য অনুসারে ১ থেকে ২ টি খেজুর দিয়ে আপনার রোজা ভাঙতে পারেন, মনে রাখবেন খেজুরে রয়েছে ফাইবার এবং পটাসিয়ামের উৎস, একই সাথে এটি ক্যালোরি সমৃদ্ধ। ইফতার আস্তে-ধীরে খাওয়া ভালো  কারণ খুব দ্রুত খাওয়ার ফলে অম্বল বা পাকস্থলিতে ফোলাভাব হতে পারে।

 

হাইড্রেশন- ডিহাইড্রেশন এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে ইফতার থেকে সেহেরি পর্যন্ত ১.৫-২ লিটার তরল পান করুন। রোয়া রাখার ফলে আপনার পানীয় গ্রহনের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করুন, বিরতিতে ধীরে ধীরে চুমুক দিন, খুব দ্রুত পান করা ঠিক নয় কারন পাকস্থলিতে ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ না করেই পানি আপনাকে হাইড্রেট করে। দুধ এবং ফল ভিত্তিক পানীয় চিনি ছাড়াই গ্রহণ করা ভালো।

 

যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন

লবণ, মশলা এবং সিজনিংস- লবণ এবং মসলাযুক্ত খাবার (আচার, জলপাই, ফ্রাই) এড়িয়ে চলা ভালো কারণ তারা শরীর থেকে পানি শোষণ করে, অম্লতা এবং তৃষ্ণা বাড়ায়।

চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ডুবো তেলে ভাজা খাবার- পুষ্টি কম, ওজন বৃদ্ধি, বদহজম এবং তৃষ্ণাকে বাড়িয়ে তোলে।

ক্যাফেইন- চা এবং কফিতে মূত্রবর্ধক উপাদান রয়েছে। অধিক গ্রহণ শরীর থেকে দ্রুত জল হারাতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

কার্বনেটেড পানীয়– কার্বন পেটে ফাঁপা ভাব সৃষ্টি করে, পেট ভরে আছে এমন অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং শরীরকে তরল গ্রহণ করতে বাধা দেয়।

ঠান্ডা তরল- ইফতারের শুরুতে বরফযুক্ত ঠান্ডা তরল পান করা হজম দক্ষতা কমিয়ে দেয় যার ফলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। যে কোন পানীয় প্রথমে হালকাভাবে ঠান্ডা করুন এবং ধীরে ধীরে এটি পান করুন।

যে ব্যক্তি কোন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন বা গর্ভাবস্থায় আছেন, বুকের দুধ খাওয়ানো, ডায়াবেটিস সহ যে সকল রোগের জন্য নিয়মিত ওষুধ গ্রহন করছেন এমন ব্যক্তির রোজা রাখার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

 

তাজরিন মল্লিক (আরডি)
BSc Dietetics and Nutrition (UK)
Grid (National Kidney Foundation, USA)
Clinical Dietitian, National Kidney Foundation and Research Institute
Visiting Consultant, Praava Health

What to Do If You Had Close Contact With A Person With COVID-19

Dr. Mosrose Salina
Family Medicine Doctor
Praava Health 

As we continue to brave through the COVID-19 pandemic, the current Omicron variant has sprouted around nations over the past few weeks. Primarily identified in Botswana and South Africa in November 2021, the Omicron variant has spread quicker than any previously known form of the coronavirus

As cases continue to rise globally, including in Bangladesh, it is important to understand what measures to take if you come in close contact with someone who is COVID positive. You are considered to have been exposed to – or in close contact – with someone with COVID-19, if you were within 6 feet of the infected person for a total of 15 minutes or more over a 24-hour period.

Regardless of whether you are vaccinated or not, you should know the steps you can take if you are exposed to someone with COVID-19. The below table helps to identify what measures you should take if you have been exposed.     

Steps to take if you think you have been exposed to someone who is COVID positive

Quarantine for at least 5 days After Quarantine Take precautions until 10 days 
If you have been exposed to someone who is COVID positive and you are not vaccinated 
  • Take a COVID-19 test at least 5 days after you were exposed even if you don’t have symptoms.
  • Watch for symptoms until 10 days after you were exposed to COVID-19
  • If you develop symptoms, get tested as soon as possible. Don’t leave home until you know the result
  • Wear a well-fitting mask for 10 days whenever you are around others, whether you are at home or in public
  • Avoid travel
  • Avoid being around people who are at high risk

 

Quarantine for at least 5 days Take precautions until 10 days 
If you have been exposed to someone who is COVID positive and you are vaccinated
  • You do not need to quarantine unless you develop any symptoms
  • Take a COVID-19 test at least 5 days after you were exposed even if you don’t show symptoms
  • Wear a well-fitting mask for 10 days whenever you are around others, whether you are at home or in public
  • Avoid travel
  • Avoid being around people who are at high risk
  • If you develop symptoms, get tested as soon as possible. Don’t leave home until you know the result

Whether you are fully vaccinated or not, if you start to develop symptoms after exposure, such as loss of smell, fever, dry cough, body ache, fatigue, chills, headache, sore throat, loss of appetite, or in some cases, more severe symptoms such as high fever, shortness of breath, severe cough, isolate and get tested as soon as possible.   

While the emergence of Omicron may be a temporary setback in the struggle to restore normalcy following the pandemic, most scientists and public health experts believe the virus will not be able to entirely evade immunization created by vaccination and earlier infection.

So far, we know that there are no variants that can cause a virus to overcome precautions like wearing face masks, handwashing, and physical distancing. Observing these guidelines should help protect against the Omicron variant also.

If you or anyone you know have come into contact with a COVID-positive person and wants to get tested, you can get tested at Praava – call 10648 or visit our website to book online.

Cancer Screenings: When to Get Tested & What to Keep in Mind

Dr. Zaheed Husain
Senior Laboratory Director, Cancer Diagnostics
Praava Health

Dr. Musharraf Hussain
Senior Consultant – Family Medicine
Praava Health

Cancer is a leading cause of death globally, counting for approximately 10 million deaths in 2020, or nearly one in six deaths with the most common cancers being breast, lung, colon, rectum, and prostate cancers. COVID-19 has been a driving force to put numerous preventive measures on hold, including screening for cancer. 

Many cancers can be cured if detected early and treated effectively, which further signifies the importance of screening. February is Cancer Prevention Month, which is a great time to know about cancer screening guidelines or book a visit with your doctor to create a personalized cancer screening plan.

Together with your healthcare provider, you can identify if you have certain risk factors that may accelerate your chances of getting cancer. Depending on your health conditions, family history, environmental factors, and lifestyle choices, you may need cancer screenings earlier or more frequently than usual. Otherwise, most screenings are determined by age.

Symptoms:

Cancer symptoms vary depending on which part of the body is affected. The following are some general signs and symptoms associated with, but not specific to, cancer:

  • Fatigue
  • Lump or area of thickening that can be felt under the skin
  • Weight changes, including unintended loss or gain
  • Skin changes, such as yellowing, darkening, or redness of the skin, sores that won’t heal, or changes to existing moles
  • Changes in bowel or bladder habits
  • Persistent cough or trouble breathing
  • Difficulty swallowing
  • Hoarseness
  • Persistent indigestion or discomfort after eating
  • Persistent, unexplained muscle or joint pain
  • Persistent, unexplained fevers or night sweats
  • Unexplained bleeding or bruising

When should one initiate cancer screenings?

Some types of cancer may not display symptoms until later stages as they develop slowly. Screenings for cancer provide the best chance of finding it early, before it has spread, in people who are asymptomatic. 

The American Cancer Society recommends the following cancer screenings according to age, for people without a higher-than-average risk:

In your 20s and 30s

After the age of 25, women should begin screening for cervical cancer by receiving a primary HPV, or human papillomavirus, test every five years. Cervical cancer can be caused by HPV, which is a common sexually transmitted virus. Every three years, women should also receive a Pap, or Papanicolaou test. This test allows doctors to detect abnormalities in cervical cells.

In your 40s

Both men and women should begin screening for colon cancer at the age of 45. Early signs of colon cancer can be detected by stool tests or by examining the colon through a colonoscopy. Women should begin mammograms at 45 to check for breast cancer. 

In your 50s and 60s 

Men who are aged 50 and older should talk to their doctor about beginning prostate cancer screenings. If testing is recommended, it commonly includes a prostate-specific antigen (PSA) blood test. However, PSA counts are sensitive to other factors, so results may be somewhat unreliable. A doctor can determine if more testing, like prostate imaging or a biopsy is needed.

Although the USPSTF (United States Preventive Services Task Force) originally suggested that women aged 50 to 74 years have biennial screening mammography, ACS (American Cancer Society) guidelines strongly recommend annual mammography beginning at the age of 45.

What can you do to reduce your risk of getting cancer?

Screenings for cancer can help you detect cancers in their early stages, but you can also lower your cancer risk by taking preventive measures. While cancer prevention research is always evolving, there’s no guarantee that preventative measures will work but most doctors agree that making healthy choices can make a difference.  

Cancer can be caused by certain viruses. The Hepatitis B virus can cause liver cancer, and the HPV virus can cause cervical and other genital cancers. It is a good thing that there are vaccines that protect against both of these viral infections and reduce the risk of cancer. In addition, avoiding tobacco products and drinking alcohol only in moderation can reduce your risk of many cancers, including lung, mouth, throat, pancreas, and bladder cancers. You can reduce your risk of skin cancers by minimizing your time in the sun and avoiding tanning beds, which are some of the most common and preventable types of cancer. In addition to checking your skin monthly, you should see a dermatologist once a year for a full-body skin exam.

Cancer Screening & Detection at Praava

At Praava, we will work with you to discuss and arrange for cancer screening and advice on cancer prevention. Our doctors and the Molecular Cancer Diagnostics lab offer early detection of the following cancers: 

  • Colorectal Cancer (CRC): Adults who are 45 years or older with an average risk of CRC aged should get screening with a stool-based test. Positive screening test results should be followed up with prompt colonoscopy.
  • Cervical Cancer: The tests for cervical cancer screening are – pap test, pap test with HPV co-testing, and high-risk HPV testing only.  
  • Prostate Cancer: USPSTF guideline is to screen using the PSA test. The interval between screening is every two years for men whose PSA is less than 2.5 ng/mL, and yearly screening for men whose PSA level is 2.5 ng/mL or higher. The recommendation is for further evaluation or biopsy if PSA level is 4.0 ng/ml or higher in men who are at average risk for prostate cancer.
  • Breast cancer: Mammography, Ultrasound of breast, and breast self-exam are modalities for breast cancer screening.

If you think you are at risk (eg. family history) or fall in the age group for cancer screening, reach out to us at 10648. To learn more about the services offered by Praava Health, please visit our website.

Praava Now Offers Vaccination Through Govt. Supported EPI Campaign

We are delighted to inform you that Praava Health is now an approved center for the Expanded Programme on Immunization (EPI) vaccines by the Government of Bangladesh. This means you can get your child vaccinated against six childhood diseases at Praava Health as well as receive the TD vaccine for women aged 15 years to 49 years old.

About EPI

EPI is a vaccination program by the government against six diseases:

  1. Diphtheria
  2. Pertussis (whooping cough)
  3. Tetanus
  4. Tuberculosis
  5. Polio
  6. Measles 
  7. Rubella

Opening Hours and Requirements

EPI vaccination is available every Saturday from 9 AM to 3 PM at Level 2 of Praava Health. No appointment is required. Kindly bring the vaccination card with you while coming to the hub. A vaccination card will be provided for first-time patients.

 

Contact Information

For any additional information, call our contact center at 10648

Our address: Plot 9, Road 17, Block C, Banani, Dhaka

Google maps directions: https://g.page/praavahealth?share

 

Available Vaccines

BCG – The BCG vaccine protects against tuberculosis, which is also known as TB. TB is a serious infection that affects the lungs and sometimes other parts of the body such as the bones, joints, and kidneys. It can also cause meningitis. 

The vaccine should be given just after birth, but if not given as early as possible (usually at the 6th week of the child’s age).

Pentavalent – Pentavalent is used to immunize patients from Diphtheria, a bacterial infection that mainly affects the nose and throat, and sometimes the skin; as well as Pertussis, or whooping cough, which is a highly contagious respiratory disease. The vaccine also works against Hepatitis B, Haemophilus influenza B, and, Poliomyelitis, and Tetanus.

The vaccine should be given at the 6th, 10th, and 14th weeks of the child’s age.

Inactivated Poliomyelitis Vaccine (IPV) – IPV also protects against Poliomyelitis. This additional injection form of the vaccine against poliomyelitis ensure better protection against the diseases

The vaccine should be given at the 14th week of the child’s age.

Pneumococcal conjugate vaccine (PCV) – PCV vaccine is used to combat Pneumococcal polysaccharide, which is recognized as a major cause of pneumonia. The respiratory tract, sinuses, and nasal cavity are the parts of the host body that are usually infected

The vaccine should be given at the 6th, 10th, and 18th weeks of the child’s age.

Measles and Rubella Vaccine – This vaccine is used to eliminate both Measles, a highly contagious viral infection that is spread through the air from person to person, and Rubella, a contagious disease caused by a virus. 

The vaccine should be given after 9 and 15 months of the child.

Tetanus toxoid – available for women within the age group 15-49 years – Tetanus toxoid- also known as Tetanus vaccine, is used to prevent tetanus. Tetanus is a serious illness that causes convulsions (seizures) and severe muscle spasms that can be strong enough to cause bone fractures of the spin.

ওমিক্রন – কোভিড-১৯ এর নতুন ভেরিয়েন্ট: আমাদের কতটা চিন্তিত হওয়া উচিত?

ঠিক সেই সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে মানুষ মহামারীর উদ্বেগ থেকে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একটি নতুন SARS-CoV-2 ভাইরাসের খবর প্রকাশিত হয়েছে। 

২৬ নভেম্বর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেইন আখ্যায়িত করে এর নাম দিয়েছে ওমিক্রন। ওমিক্রন এখন অন্যান্য সাতটি ভ্যারিয়েন্টের সাথে যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে আগে ছিল আলফা, বিটা, গামা এবং ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

খবরে প্রকাশিত হয়েছে সর্বশেষ ‌এই ভ্যারিয়েন্টটির অসংখ্য মিউটেশন আছে যার ফলে এটি সহজেই সংক্রমণযোগ্য এবং এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহজে ভেদ করতে পারে। এসব কারনেই বর্তমানে ভ্যারিয়েন্টটি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দৈনন্দিন জীবনে এর কেমন প্রভাব পড়বে তা জানার জন্য মানুষ দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর তথ্য মতে ভেরিয়েন্টগুলিকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন ‘ বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে শনাক্ত করা হয়েছিল এবং মিডিয়া আকর্ষণের মূলে আসার আগে ভ্যারিয়েন্টগুলো নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা করারও সময় পাওয়া গিয়েছিলো। তবে এবার ওমিক্রন এর বিষয়টি দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ঘটেছে।

omicron

কেন ওমিক্রন একটি “উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট”?

ওমিক্রন এর স্পাইক প্রোটিনে ৩২ টি মিউটেশন পাওয়া গেছে। যদিও এর মধ্যে কিছু অন্য ভ্যারিয়েন্টের সাথে মিশ্রণ ঘটিয়েছে, তবে বেশিরভাগই নতুন ধরনের মিউটেশন। 

ওয়েন্ডি বার্কলে যিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাস ভেরিয়েন্ট নিয়ে গবেষণার প্রতিনিধিত্ব করছেন, উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এর স্পাইক প্রোটিনের পরিবর্তন হয় ফলে নতুন মিউটেশন ঘটে এবং এন্টিবডিকে দুর্বল করে দেয়। তিনি সতর্ক করেছেন যে, বিজ্ঞানীদের যে কোন সিদ্ধান্তে আসার আগে অনেক গবেষণা করতে হবে।

নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কী কাজ করবে?

উহান থেকে SARS-CoVID-2-এর প্রথম খবর পাওয়ার পর থেকে, গত দুই বছরে একাধিক ভ্যারিয়েন্ট আবিষ্কৃত হয়েছে এবং আমরা আশা করতে পারি নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর আগমন ঘটতেই থাকবে।

ভ্যাকসিন দ্রুত তৈরি করা হয়েছে এবং অন্যান্য প্রতিষেধকও আসছে। নতুন ধরনের ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা যদিও কম, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বুস্টার ডোজও সংযুক্ত করা হয়েছে। নতুন ভেরিয়েন্টের এর বিস্তারিত প্রতিক্রিয়াগুলি খুঁটিয়ে দেখার জন্য যথেষ্ট সময়ও হাতে নেই।

এই মুহূর্তে, এমন অনেক প্রশ্ন আছে যার উত্তর আমাদের হাতে নেই। বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণা প্রক্রিয়া চলছে যা অনেকগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হবে। গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যাবে:

  • বর্তমান ভ্যাকসিন দ্বারা প্রদত্ত সুরক্ষা স্তর
  • এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের রোগের মাত্রা
  • ওমিক্রনের সংক্রমণযোগ্যতা

ইতিমধ্যে, ফাইজার এবং মর্ডানা সহ প্রধান কোভিড ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থাগুলো ‘শুধু মাত্র ওমিক্রন’ এর ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে যা প্রায় ৩ মাসের মধ্যে সবার কাছে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা যায়। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে, ফাইজারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মিকাইল ডলস্টেন বলছেন, ২০২২ এর মার্চের মধ্যে একটি ওমিক্রন কেন্দ্রিক বুস্টার পাওয়া যেতে পারে। সম্ভবত এবার এফডিএ ভ্যাকসিনগুলির ব্যাপকহারে ক্লিনিকাল ট্রায়াল এর ক্ষেত্রে ছাড় দিবে।

নিজেকে নিরাপদ রাখতে কী করতে পারি?

CDC বুস্টারগুলির নেওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়েছে। সংস্থ্যাটি বলেছে যে কোন প্রাপ্তবয়স্কর ক্ষেত্রে মর্ডানা বা ফাইজার/বাওন্টেক-এর ভ্যাকসিনের প্রাথমিক দুই ডোজ শেষ করার ছয় মাস পরে অথবা জনসন অ্যান্ড জনসন-এর একক-ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার দুই মাস পর বুস্টার শট নেওয়া উচিত।

এখন পর্যন্ত, আমরা জানি যে মাস্ক পরা, হাত ধোয়া এবং শারীরিক দূরত্বের মতো সতর্কতাগুলি মেনে চলতে পারলে, ভাইরাসের কারণ হতে পারে এমন কোনও মিউটেশন ঘটার সম্ভাবনা নেই। এই নির্দেশিকাগুলি মেনে চলতে পারলে ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্ট থেকেও রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

আমার কী ওমিক্রন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

যদিও ওমিক্রনের প্রভাব আমাদের মহামারী থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার লড়াইয়ে একটি বাধা হয়ে দাড়িয়েছে তবুও জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, ভাইরাসটি টিকা এবং আগের সংক্রমণের ইমুনাইজেশান থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি দেয়ার সম্ভাবনা কম।

টিকা দেওয়ার হার বৃদ্ধি এবং প্রতিশ্রুতিশীল ওষুধের কারণে, ওমিক্রন এর প্রভাব আলফা এবং ডেল্টার তুলনায় অনেক কম কষ্টকর হওয়া উচিত। বুস্টার শটগুলি উন্নত স্তরের অ্যান্টিবডি তৈরির দিকে নিয়ে যাবে যা ভাইরাসকে দূর্বল করে দেবে, এবং আরও বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডি তৈরি করবে যা নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন সম্প্রতি এক সংবাদ বিবৃতিতে বলেছেন ওমিক্রন “চিন্তার কারণ তবে আতঙ্কের কারণ নয়।”  তিনি আরো বলেন “এই নতুন ভেরিয়েন্ট, এর বাইরের যে কোনও ভ্যরিয়েন্ট, বর্তমান যে কোন ভ্যরিয়েন্টের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা আমরা পেতে পারি সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া এবং বুস্টার শট নিশ্চিত করার মাধ্যমে।”

সাউথ আফ্রিকার ভিডিও সহ আভ্যন্তরীণ রিপোর্ট

The New Omicron COVID-19 Variant: How worried should we be?

omicron

বাংলা

Right around the time when people around the world started to relax a little from pandemic worries, news about the appearance of a new SARS-CoV-2 variant emerged from South Africa.

On November 26, the World Health Organization (WHO) designated the new strain as a variant of concern and named it Omicron. Omicron now joins seven other variants of concern that include the Alpha, Beta, Gamma, and Delta variants.

News that the new coronavirus variant has a number of mutations that could make it more transmissible and have the ability to avoid immune protection has generated anxiety around the world and people are waiting to know more about the impact of Omicron on their lives.

In the past, variants were designated “variants of concern” by the WHO and there was more time to study them before they become exposed to media attention. With Omicron, it all happened in less than two weeks.

Source: https://twitter.com/_nference/status/1464404770098229250?s=20

Why is Omicron a ‘variant of concern’?

Omicron has 32 mutations in its spike protein. Whilst some of these are shared with other variants, the majority are novel mutations.

Right now, it is difficult for scientists to predict how the different mutations will affect immune response. Wendy Barclay, who leads a UK group studying new coronavirus variants worries that the ability of antibodies “will be compromised in their ability to neutralize the virus” due to the changes across its spike protein— though she cautioned that scientists need to study that question to confirm it.

Are vaccines effective against Omicron?

Since the first reporting of SARS-CoVID-2 from Wuhan, multiple variants have emerged over the past two years, and we can expect new variants to continue emerging. Vaccines have been developed rapidly and other therapeutics are coming along.  Whilst the effectiveness of vaccines against emerging variants have shown diminished efficacy, booster doses have been added to increase host immunity. There has not been enough time yet to evaluate the detailed response/s against the new variant.

Right now, there are many unanswered questions. Intensive research currently underway will generate a host of answers. Key questions that will be answered will include:

  • Level of protection provided by current vaccines
  • Severity of disease in patients infected with this virus
  • Transmissibility of Omicron

In the meantime, the major COVID vaccine manufacturers including Pfizer and Moderna are working on making an ‘Omicron-specific’ vaccine that will be available in about 3 months. In a recent interview, Pfizer’s Chief Scientific Officer Mikael Dolsten suggested that an Omicron-targeted booster might be made available by March. It’s likely that FDA might waive elaborate clinical trials for these variant-focused vaccines.

What can I do to keep safe?

The CDC has strengthened its guidance on boosters, saying all adults should get booster shots six months after ending the primary two doses of Moderna’s or Pfizer/BioNTech’s vaccine and two months after getting Johnson & Johnson’s single-dose vaccine.

So far, we know that there are no mutations that can cause a virus to overcome precautions like wearing of face masks, handwashing and physical distancing. Observing these guidelines should help protect against the Omicron variant also.

Should I be concerned?

While the appearance of Omicron might represent an initial setback in the fight to regain normalcy from the pandemic, most scientists and public health officials believe that the virus is unlikely to completely escape immunization generated by vaccination and prior infection.  

With high vaccination rates and promising drugs on the horizon, a possible Omicron wave should be far less painful to weather than the Alpha and Delta ones. Booster shots lead to greater levels of antibodies that neutralize the virus, and also more diverse types of antibodies that give broader protection against new variants.

Omicron “is a cause for concern, not a cause for panic,” U.S. President Joe Biden said in a press briefing recently. “The best protection against this new variant or any of the various out there, the ones we’ve been dealing with already, is getting fully vaccinated and getting a booster shot.”

Video of the initial report from S Africa

বাংলা