আপনার পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্ত এবং আপনার সুস্থতা পরিকল্পনার গুরুত্ব

সাধারণত বাৎসরিক হেলথ চেক আপ এর সময় বিভিন্ন ক্রনিক রোগ এর চিকিৎসা ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে একজন রোগীকে তাদের আত্মীয়দের স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা রোগীর বিস্তারিত পারিবারিক ইতিহাস রেকর্ড করার চেষ্টা করেন যার মধ্যে থাকতে পারে রোগীর নিকট আত্মীয়- শিশু, ভাই ও বোন, পিতা ও মাতা, চাচা ও চাচি, ভাগ্নি এবং ভাগ্নে, দাদা ও দাদী এবং চাচাতো ভাই বোন এর স্বাস্থ্য তথ্য। রোগীর পারিবারিক ইতিহাস রেকর্ড করে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থার কারণ এবং প্যাটার্ন গুলো সনাক্ত করতে পারে। কিন্তু এটি কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?

পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্তের গুরুত্ব

পরিবার গুলো একই ধরনের জেনেটিক ইতিহাস, পরিবেশ এবং আচরণ শেয়ার করে। সম্মিলিতভাবে, এই কারণগুলো পরিবারের ব্যাধি গুলোর দিকে ডাক্তারদেরকে ইঙ্গিত করতে পারে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা আত্মীয়দের মধ্যে রোগের প্যাটার্ন গুলো পর্যবেক্ষণ করে কোনো ব্যক্তি, পরিবারের সদস্য বা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার উচ্চ ঝুঁকিতে আছে কিনা তা সনাক্ত করতে পারেন। 

পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্তের মাধ্যমে রোগ সনাক্তকরণ

আপনার পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্ত আপনার হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, কিছু ম্যালিগনসিস এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে সাধারণ অসুস্থতার গড় ঝুঁকির চেয়ে বেশি কিনা তা সনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। জেনেটিক কারণ, পরিবেশগত পরিস্থিতি এবং জীবনযাত্রার ধরনের সংমিশ্রণ এই জটিল অসুস্থতা গুলোকে প্রভাবিত করে। আপনার পিতামাতা এবং পরিবারের অন্যান্যদের স্বাস্থ্য বৃত্তান্তের ধারণা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্ত কীভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনাকে করতে হবে সে সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। আপনি স্ক্রিনিং টেস্ট করার পরিকল্পনা করতে পারেন অথবা আপনার বংশপরম্পরায় চলা রোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে জীবনযাত্রার পরিবর্তন করতে পারেন। আপনি যদি আপনার বংশে কারোর কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে জানেন তবে ডাক্তারকে অবহিত করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য বৃত্তান্ত জানা আপনাকে আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও সক্রিয় হতে সহায়তা করতে পারে। ডাক্তারদেরকে আপনার পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত করার মাধ্যমে তারা সম্ভাব্য অসুস্থতা হ্রাস করার জন্য প্রতিরোধ এবং স্ক্রিনিং কৌশলের পরামর্শ দিতে পারেন।

আপনার পারিবারিক স্বাস্থ্য বৃত্তান্ত একত্র করতে, পরিবারের প্রতিটি সদস্যের যে স্বাস্থ্য সমস্যা বা রোগ রয়েছে তার একটি তালিকা তৈরি করুন। এমনকি যারা গত হয়েছেন তারদেরও। অসুস্থতার শুরুর বয়সও এই রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা আপনার রেকর্ড গুলোতে পরিবারের চিকিৎসা বৃত্তান্তে সমস্ত তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।

আপনার সুস্থতার পরিকল্পনা

আপনি আপনার জিন পরিবর্তন করতে পারবেন না, তবে আপনি আপনার পরিবারে চলা রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আপনার জীবন যাত্রাকে মানিয়ে নিতে পারেন। রোগের ঝুঁকি প্রতিটি ব্যক্তির জন্য পৃথক, যা বয়স, জীবনযাত্রার ধরণ এবং চিকিৎসা বৃত্তান্তের পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। আপনার চিকিৎসা বৃত্তান্তের একটি সাম্প্রতিক রেকর্ড রেখে, আপনার পরিবারের চিকিৎসা বৃত্তান্ত আপডেট করে এবং আপনার ডাক্তারের সাথে এটি শেয়ার করে নেওয়া আপনার স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করবে। মনে রাখবেন যে আপনার স্বাস্থ্যের মধ্যে শারীরিক এবং মানসিক উভয় সমস্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পারিবারিক ইতিহাসে বিষণ্ণতার মত মানসিক সমস্যা থাকলে আপনার পারিবারিক ডাক্তারকে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার ডাক্তারের কাছে আপনার পরিবারের চিকিৎসা বৃত্তান্ত সম্পর্কে যত বেশি তথ্য থাকবে, আপনি তত ভাল যত্ন পাবেন।

Importance of Your Family Health History and Your Wellness Plan

At an annual health check or consultation for chronic disease management, a patient is asked about their relatives’ health status. Healthcare providers record a patient’s comprehensive family history, including the patient’s close relatives’ health information, including children, brothers and sisters, parents, aunts and uncles, nieces and nephews, grandparents, and cousins. By recording a patient’s family history, healthcare providers can identify the causes and patterns of a patient’s health journey. Why is this so important?

Importance of family health history

Families share similar genetic histories, environments, and behaviors. Collectively, these factors can point doctors to disorders that run in families. Healthcare providers can identify whether an individual, family members, or future generations are at a higher risk of a particular health issue by observing patterns of diseases among relatives. 

Identifying diseases through family health history

Your family health history can help to identify if you have a higher-than-average risk of common illnesses like heart disease, high blood pressure, stroke, certain malignancies, and Type 2 diabetes. A combination of genetic factors, environmental situations, and lifestyle choices influence these complicated illnesses. It’s important to become familiar with your parents and extended family’s health history.

Your family history might give you information about how to live a healthy lifestyle. You can plan for screening tests or adopt lifestyle changes to lower your chance of getting diseases that run in your family. It is important to inform your doctor if you know of any health issues in your family tree. Knowing your family’s health history can help you be more proactive about your health, and informing doctors of your family history allows them to suggest prevention and screening strategies to mitigate potential illnesses. 

To compile your family history, start by making a list of health issues or diseases that each family member has, including if they have died. The age of onset of illness should also be included in the report. Providers will add your family’s medical history to your records to ensure all information is captured. 

Your wellness plan

You can’t change your genes, but you can adapt your lifestyle to lower your risk of getting diseases that run in your family. Disease risks differ for each individual, which changes over time based on age, lifestyle choices, and changes in medical history. By keeping a current record of your medical history, updating your family’s medical history, and sharing it with your doctor can help prevent you from developing certain health conditions. Remember that your health includes both physical and mental issues. It’s also important to let your family doctor know if you have a family history of mental issues like depression. 

The more information your doctor has about your family’s medical history, the better care you’ll receive.

বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০২১ – হেপাটাইটিস অপেক্ষা করে না

হেপাটাইটিস মূলত যকৃতের প্রদাহ কে বুঝায়। এর মূল কারণ – ভাইরাস ঘটিত সংক্রামণ অথবা অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের ফলে যকৃতের ক্ষতি। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই পাঁচটি স্বীকৃত হেপাটাইটিস ভাইরাস। জনাকীর্ণ পরিমণ্ডল এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ হেপাটাইটিস এ এবং ই এর সংক্রামণকে বাড়িয়ে তোলে, যা দূষিত খাদ্য অথবা পানি গ্রহণের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। হেপাটাইটিসবি, সি এবং ডি ভাইরাস সংক্রমণের সাধারণ মাধ্যম হল- দূষিত/কলুষিত রক্তের সাথে যৌনসংযোগ বা এক্সপোজার। 

হেপাটাইটিস সম্পর্কিত অসুস্থতা থেকে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একজন ব্যক্তি মারা যান। তাই, এমনকি বর্তমান কোভিড-১৯ সংকটের মধ্যেও, আমাদের অবশ্যই ভাইরাল হেপাটাইটিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হেপাটাইটিসের অতিরিক্ত চাপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং বাস্তবিক পরিবর্তনকে প্রভাবিত করার জন্য, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২১ এর প্রতিপাদ্য (থিম) হল, “হেপাটাইটিস অপেক্ষা করে না”।

 হেপাটাইটিসের লক্ষণ:

তীব্র বা একুয়েট (স্বল্পমেয়াদী) হেপাটাইটিস এর প্রায়শই কোনো উপসর্গ থাকে না। যদি উপসর্গ দেখা দেয় তাবে সেগুলো হতে পারে:

  • পেশী এবং অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
  • উচ্চ তাপমাত্রা
  • অসুস্থ অনুভব করা
  • সব সময় অস্বাভাবিকভাবে ক্লান্তি
  • ক্ষুধামান্দ্য বা অরুচি
  • পেটে ব্যথা
  • গাঢ় প্রস্রাব
  • ফ্যাকাশে, ধূসর রঙের মল
  • ত্বকে চুলকানি
  • জন্ডিস (চোখ এবং ত্বকে হলুদাভাব)

দুরারোগ্য বা ক্রনিক (দীর্ঘমেয়াদী) হেপাটাইটিস কখনো কখনো অলক্ষিত বা অজানা হতে পারে যতক্ষণ না যকৃত সঠিকভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং কেবল রক্ত টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়। এটির কারণে জন্ডিস হতে পারে। পা, গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফুলে যেতে পারে। বিভ্রান্তি এবং মলের সাথে রক্ত বের হতে পারে বা পরবর্তী পর্যায়ে বমিও হতে পারে।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পরিস্থিতি:

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে ২০১৮ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্সের (ডাব্লুএইচএ) পরিসংখ্যানগত হিসাব অনুযায়ী:

  • ৩৯ মিলিয়ন মানুষ হেপাটাইটিস বি নিয়ে বাস করছেন।
  • হেপাটাইটিস সি ১০ মিলিয়ন মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
  • হেপাটাইটিস ই এর ৬.৫ মিলিয়ন সিম্পটোম্যাটিক কেস এবং প্রতি বছর হেপাটাইটিস এ এর ৪০০,০০০ কেস গণনা করা যায়।
  • তিনটি দেশে: ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মায়ানমার এবং তিমুর-লেস্তে, দুরারোগ্য বা ক্রনিক হেপাটাইটিস বি এর প্রাদুর্ভাব শতকরা ৮ ভাগেরও বেশি।
  • দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে হেপাটাইটিস সি সংক্রমণের হার থাইল্যান্ডে ২.৭%, মায়ানমারে ১.৭%, বাংলাদেশে ১.৩%, ভারতে ১.৩% এবং ইন্দোনেশিয়ায় ০.৮% বলে অনুমান করা হয়েছিল।
  • যারা ড্রাগ বা মাদক ইনজেকশন নেয় তাদের ৫০% ব্যক্তির মধ্যে হেপাটাইটিস এ উপস্থিত।

রোগনির্ণয়:

হেপাটাইটিস এ, বি, এবং সি রোগ নির্ণয় করতে রোগীর উপসর্গ,শারীরিক টেস্ট এবং রক্ত টেস্ট করা হয়। ইমেজিং পদ্ধতি যেমন সোনোগ্রাম বা সিটি স্ক্যান, সেইসাথে লিভার বায়োপসি কখনো কখনো ব্যবহার করা হয়। একজন ডাক্তার শারীরিক টেস্ট করেন এবং কোনো ব্যক্তি হেপাটাইটিসের সংস্পর্শে এসেছেন কিনা তা নির্ধারণ করতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন।

প্রতিরোধ:

হেপাটাইটিসের ধরণের উপর নির্ভর করে, সংক্রামণ প্রতিরোধের বিভিন্ন উপায় রয়েছে।

হেপাটাইটিস এ

হেপাটাইটিস এ প্রাথমিকভাবে দূষিত খাবার এবং পানি দ্বারা সংক্রামিত হয়। সংক্রামণ প্রতিরোধ করতে:

  • টয়লেট ব্যবহার করার পরে এবং খাওয়ার আগে ভালকরে হাত ধুয়ে নিন।
  • নিশ্চিত করুন যে খাবার পুরোপুরি রান্না করা হয়েছে এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
  • ভ্রমণের সময়, কেবলমাত্র বোতলজাত পানি পান করুন।
  • দূষিত পানিতে ধোয়া বা উৎপাদিত ফল এবং শাকসবজি এড়িয়ে চলুন।
  • যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো স্থানে ভ্রমণ করেন যেখানে ভাইরাসটির বিস্তৃতি ব্যাপক, তাহলে তার হেপাটাইটিস এ ভ্যাকসিন সম্পর্কে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।

হেপাটাইটিস বি এবং সি

সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে:

  • কোনো ব্যাক্তির সাথে কোনো ব্যক্তির যৌনসংযোগ থাকলে অবশ্যই তাদের যে কোনো ভাইরাস সম্পর্কে অবহিত করা উচিৎ।
  • সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করুন।
  • শুধুমাত্র পরিষ্কার, অব্যবহৃত ইনজেকশনের সূঁচ ব্যবহার করুন।
  • ব্রাশ, রেজার এবং ম্যানিকিউর সরঞ্জাম কারও সাথে শেয়ার করা উচিৎ নয়।
  • রক্ত এবং অঙ্গ দাতাদের হেপাটাইটিসের জন্য টেস্ট করতে হবে।
  • যারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন তাদের জন্য হেপাটাইটিস বি এবং সি স্ক্রিনিং নিয়মিত করা উচিৎ।
  • গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস বি এবং সি টেস্ট করা। যদি কেউ সন্দেহ করে যে তার হেপাটাইটিস আছে তাহলে তার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সেবা নেওয়া উচিৎ। কারণ একজন ডাক্তার জটিলতার ঝুঁকি সীমিত করার এবং ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া এড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন।

এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে হেপাটাইটিস বি বা সি সংক্রামিাত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। যেহেতু শরীর অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কম প্রস্তুত থাকেতাই এর পরিণতি আরও গুরুতর হতে পারে।

আমাদের মনে রাখতে হবে যে টিকাদান হেপাটাইটিস এ এবং বি প্রতিরোধ করতে পারে, তবে হেপাটাইসিস সি নয়। হেপাটাইটিস বি এবং সি-এর জন্য চিকিৎসা সহজলভ্য, তবে হেপাটাইসিস এ এর নয়।

আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা:

হেপাটাইটিসের ধরণের উপর নির্ভর করে আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা বিভিন্ন হয়:

  • হেপাটাইটিস এ: এই বিশেষ স্ট্রেন সাধারণত কোন দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব না ফেলে দুই মাস স্থায়ী হয়। একজন ব্যক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্ভবত তার বাকি জীবনের জন্য  থাকবে।
  • হেপাটাইটিস বি: বেশিরভাগ ব্যক্তি ৯০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠে এবং সারা জীবন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে। নবজাতকের ৯০ শতাংশ, বড় শিশুদের ২০ শতাংশ এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ৫ শতাংশ ক্রমাগত সংক্রামিত হচ্ছে। এর ফলে লিভার ক্যান্সার বা সিরোসিসের মতো গুরুতর পরিণতি হতে পারে।
  • হেপাটাইটিস সি: এটি একটি দুরারোগ্য সংক্রামকরোগ। এটি সংক্রামিতদের ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ আক্রান্ত করে, যার ১ থেকে ৫ শতাংশ প্রাণঘাতী পরিণতি আনতে পারে। এ রোগের চিকিৎসা আছে, তবে যাদের চিকিৎসা করা হয় তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠে।

চিকিৎসা

হেপাটাইটিস এএর কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। হেপাটাইটিস এ এর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, যকৃত ছয় মাসের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ না হয়ে পুনরুদ্ধার করে। তবে আপনার সংক্রামণের পুরো সময়কাল জুড়ে প্রতিটি পদক্ষেপে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য নিচের বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন হতে পারে:

  • যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিন  – হেপাটাইটিস এ আছে এমন অনেক লোক ক্লান্ত, অসুস্থ এবং খুব দূর্বল থাকেন।
  • বমি বমি ভাব কমাতে সারা দিন ধরে নাস্তা– বমি বমি ভাব খাওয়া কঠিন করে তুলতে পারে, তাই পুরো খাবার একসময়ে খাওয়ার পরিবর্তে দিনের বিভিন্ন সময়ে স্ন্যাকিং বা অল্প অল্প করে নাস্তা করার চেষ্টা করুন।
  • অ্যালকোহল পান করা এড়িয়ে চলুন – আপনার যকৃত অ্যালকোহল সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করতে পারে না এবং সম্ভাব্যভাবে যকৃতের আরও ক্ষতি করতে পারে।
  • ওষুধ সেবন করুন – ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধসহ আপনার সমস্ত প্রেসক্রিপশন সম্পর্কে আপনার ডাক্তারকে অবহিত করুন।

 একইভাবে, হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রামণ রোধের জন্য,স্বাস্থ্য কীভাবে পরিচালনা করতে হয় সে সম্পর্কে গাইড করার জন্য ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। ডাক্তাররা বিশ্রাম, প্রচুর তরল এবং সঠিক পুষ্টির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। উপরন্তু, যদি রোগটি দুরারোগ্য সংক্রামণের দিকে মোড় নেয় তবে চিকিৎসার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

  • অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ – কোন ওষুধটি আপনার জন্য সর্বোত্তম তা নির্ধারণ করতে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। এগুলি আপনাকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং আপনার যকৃতের ক্ষতি করার সংক্রামণের ক্ষমতা হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। এই ওষুধ গুলো মুখে খাওয়ার। হেপাটাইটিস সিএর ক্ষেত্রে,লক্ষন হলো চিকিৎসা শেষ করার পরে কমপক্ষে ১২ সপ্তাহ আপনার শরীরে ভাইরাসের কোনো চিহ্ন না থাকা। 

লিভার প্রতিস্থাপন – গুরুতর জটিলতার জন্য, যকৃত প্রতিস্থাপন একটি বিকল্প হতে পারে। শুধুমাত্র যকৃত প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে হেপাটাইটিস সি খুব কমই নিরাময় হয়। সংক্রামণটি পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং প্রতিস্থাপিত যকৃতকে আরও ক্ষতি হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আপনার ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসার প্রয়োজন হবে।

হেপাটাইটিসকে পরাস্ত করতে, আমাদের সঠিক জ্ঞান এবং শিক্ষা, সতর্কতা, ভ্যাকসিন এবং স্বাস্থ্যকর জীবন বিধি অনুশীলন করতে হবে।

World Hepatitis Day 2021 – Hepatitis Can’t Wait

Hepatitis is a term used to describe liver inflammation. It is usually caused by a viral infection or liver damage induced by heavy alcohol consumption. Hepatitis A, B, C, D, and E are the five recognized hepatitis viruses. Crowded environments and poor sanitation exacerbate the transmission of Hepatitis A and E, which are spread through contaminated food or water intake. Sexual contact or exposure to contaminated blood are common modes of infection for Hepatitis B, C, and D viruses. 

A person dies every 30 seconds from a hepatitis-related sickness, therefore, even amid the current COVID-19 crisis, we must take action against viral hepatitis. To raise awareness of the global burden of viral hepatitis and to influence real change, the theme for World Hepatitis Day 2021 is, “Hepatitis Can’t Wait”.

Symptoms of hepatitis:

Acute (short-term) hepatitis often has no symptoms. If symptoms do appear, they may include the following:

  • Pain in muscle and joints
  • High temperature
  • Feeling and being ill
  • Unusually tired all the time
  • Loss of appetite
  • Stomach pain
  • Dark urine
  • Pale, grey-colored stool
  • Itchy skin
  • Jaundice (yellowing of the eyes and skin)

Chronic (long-term) hepatitis may sometimes go undetected until the liver stops functioning properly, and is only detected by blood tests. It can cause jaundice, swelling in the legs, ankles, and feet, confusion, and blood in your stools or vomit in the later stages.

Situation in Bangladesh and South-East Asia:

According to a World Hepatitis Alliance (WHA) statistical estimate from 2018 in the region of South-East Asia:

  • 39 million people are living with Hepatitis B.
  • Hepatitis C affects 10 million people.
  • 6.5 million symptomatic cases of hepatitis E and 400,000 cases of Hepatitis A are projected each year. 
  • In three countries: the Democratic People’s Republic of Korea, Myanmar, and Timor-Leste, the prevalence of chronic Hepatitis B is more than 8%.
  • Hepatitis C infection rates in the general population were estimated to be 2.7% in Thailand, 1.7% in Myanmar, 1.3% in Bangladesh, 1.3% in India, and 0.8% in Indonesia, 
  • Hepatitis A is present in 50% of individuals who inject drugs.

Diagnosis:

Your symptoms, a physical exam, and blood tests are used to diagnose Hepatitis A, B, and C. Imaging procedures such as a sonogram or CAT scan, as well as a liver biopsy, are sometimes used. A doctor will also do a physical exam and ask questions to determine whether or not a person has been exposed to hepatitis.

Prevention:

Depending on the type of hepatitis, there are different ways to prevent transmission

Hepatitis A

Hepatitis A is primarily transmitted by contaminated food and water. To prevent infection:

  • Thoroughly wash hands after using the restroom and before eating.
  • Ensure food is fully cooked and properly stored.
  • When traveling, exclusively drink bottled water
  • Avoid fruits and vegetables that were washed or produced in contaminated water.
  • If a person is traveling to a location where the virus is widespread, they should consult their doctor about the Hepatitis A vaccine.
Hepatitis B and C

To reduce the risk of transmission:

  • Any sexual partners with whom a person has had contact should be informed about any viruses they may have.
  • During intercourse, use a condom.
  • Only use clean, unused needles.
  • Brushes, razors, and manicure tools should not be shared.
  • Blood and organ donors have to be screened for hepatitis.
  • Hepatitis B and C screening should be done regularly for people who are at a higher risk.
  • Hepatitis B and C are also tested during pregnancy. Anyone who suspects they have Hepatitis should get medical care as soon as possible since a doctor can advise on limiting the risk of complications and avoiding spreading the virus.

The chance of developing Hepatitis B or C infection is increased in HIV patients. Because the body is less equipped to fight the illness, the consequences can be more severe.

We need to keep in mind that immunization can prevent Hepatitis A and B, but not C. Treatment is available for Hepatitis B and C, but not A

Chances of recovery:

The chances of recovery vary depending on the type of hepatitis:

  • Hepatitis A: This particular strain usually lasts two months with no long-term consequences. An individual will likely be immune for the rest of their life.
  • Hepatitis B: Most individuals recover in 90 days and are immune for the rest of their lives. 90 percent of newborns, 20% of older children, and 5% of adults have persistent infections. This can result in serious consequences such as liver cancer or cirrhosis.
  • Hepatitis C: It is a chronic infection that affects 75% – 85% of those infected, with 1% – 5% of those who develop life-threatening consequences. Treatment is available, however about 15% – 25% of those who are treated will recover.

Treatment

Hepatitis A does not have a specific treatment. In most cases of Hepatitis A, the liver recovers without causing long-term damage within six months. However, it is important to consult with your doctor every step of the way throughout your period of infection. To manage your health, you may need to:

  • Rest as much as possible – Many people who have Hepatitis A are fatigued, unwell, and have little energy.
  • Snacking throughout the day to manage nausea – Nausea can make it difficult to eat, so try snacking at different times of the day instead of eating full meals.
  • Avoid drinking alcohol – Your liver cannot process alcohol properly and may potentially cause more liver damage.
  • Use your medications – Inform your doctor about all of your prescriptions, including over-the-counter medications.

Similarly, for Hepatitis B and C infections, consult with your doctor to guide you on how to manage your health. Doctors recommend resting, plenty of fluids, and proper nutrition. Additionally, if the disease turns towards chronic infection, treatment may include:

  • Antiviral medications – Consult your doctor to determine which medicine is best for you. They can help you battle against the virus and reduce the infection’s capacity to harm your liver. These medications are given orally.  For Hepatitis C, the goal is to have no traces of the virus in your body for at least 12 weeks after finishing treatment. 
  • Liver transplantation – For serious complications, liver transplants may be an option. Hepatitis C is rarely cured by a liver transplant alone. The infection is likely to resurface. and will need antiviral treatment as advised by your doctor to protect the transplanted liver from further damage.

To defeat hepatitis, we need proper knowledge and education, precautions, vaccines, and practice healthy behaviors.

Op-ed: Why Bangladesh Should Be Concerned About the Emerging COVID Variants

Since January 2021, Bangladesh has confirmed the presence of five COVID-19 variant strains — Alpha (B.1.1.7) (aka the “UK variant”), Beta (B.1.351) (aka the “South Africa variant”), (B.1525), Gamma (P.1) (aka the “Nigeria variant”), and Delta (B.1.617.2) (aka the “India variant”). These variants raise concern because of their high transmissibility and infection potential. Public Health England reports that the Alpha variant, for example, is approximately 25 to 40 percent more transmissible than the first recorded strain of the COVID-19 virus.

Transmission rates are not the only concern regarding these variants— they may also cause more severe disease. Most recently, Public Health England reported that the Delta variant was not only more transmissible among close contacts than the Alpha strain, but was also associated with higher hospitalization rates in England and Scotland. According to sequencing data, the second wave in India was mainly powered by the Alpha and Delta variants, both currently present here in Bangladesh. Scientists use genomic sequencing data to decode genes and unlock information about how viruses function. Sequence data allows scientists to identify SARS-CoV-2 and its mutations, study how it affects the virus’s composition, and understand how it influences human health.  

Praava Health is concerned about the emergence of new variants and their impact on COVID testing and the spread of the disease in Bangladesh and beyond. To date, Bangladesh has contributed over 4,000 samples to global sequencing data – a level of sequencing that is sadly exceptionally low for a population the size of Bangladesh’s. Of the 172 countries that have uploaded sequencing data for 1.2 million cases, many report less than 1% of their cases. Bangladesh’s sequencing is much lower with only .005% of all cases being submitted to GISAID, the global repository for COVID-19 genome sequencing. 

To expand and contribute to our collective knowledge on the circulating variants in Bangladesh, Praava is collaborating with a research foundation, CHRF, to determine which variants are captured in the COVID samples processed by Praava Health and to determine the fidelity of COVID testing in the light of the emerging variations in viral genome and the effect on population health. Data from Praava is contributing to GISAID, a global, open-access repository of SARS-CoV-2 genome sequences. 

In Bangladesh, the border areas of Dhaka are now facing the brunt of the rising trend of COVID-19 cases. Khulna Division has emerged as the most impacted, with a test positive rate of 36.05%. On the other hand, Dhaka is so far the least impacted of all the divisions, with an infection rate of 7.02%. As we have witnessed in neighboring India, a catastrophic epidemic can result in tremendous fatalities. To prevent similar outcomes, Bangladesh must act quickly specifically by increasing our vaccination efforts.

The World Health Organization (WHO) states that getting vaccinated is one of the best ways to protect yourself and others from COVID-19. Most of the COVID-19 vaccines target the spike protein on the surface of the virus and help your immune system develop neutralizing antibodies that protect you from infection. However, the variants have multiple mutations on this surface spike protein and the impact of these mutations on vaccine effectiveness is a topic of ongoing research. Preliminary unpublished reports from laboratory studies (as well as emerging clinical data) suggest that currently approved vaccines still retain their effectiveness against the variants, though at a lower magnitude of protection. Nonetheless, it appears that vaccines can protect patients from the variants’ severe effects and lower the rates of hospitalization and deaths.

Vaccine supplies must be transferred now to the areas where the crisis is most severe. Although children and young adults are far less likely than adults to be hospitalized with COVID-19, we should begin vaccinating them with the same urgency and large-scale coordination efforts as adults if we want to reduce COVID-19 cases and eventually halt the pandemic.

Half-hearted preventive measures are a major reason behind the worsening COVID situation in the country. While vaccines are important, masks and social distancing are equally effective against variants too. The fastest approach to recover from the pandemic is to combine these mitigation tactics with vaccination. The sooner we act, the likelier we are to return to normalcy. 

World Kidney Cancer Day 2021

Four years ago we celebrated the first World Kidney Cancer Day. The International Kidney Cancer Coalition (IKCC) created an international campaign to increase awareness of the causes, prevention measures, and increasing rates of kidney cancer globally. 

The theme of this year’s campaign, “We need to talk about how we’re feeling,” is targeted to address the psychosocial impact on kidney cancer patients. 

About kidney cancer

Kidney cancer occurs when healthy cells in one or both kidneys alter and expand rapidly and a mass known as a renal cortical tumor forms. A tumor might be malignant, benign, or indolent. Adults with kidney cancer are most commonly diagnosed between the ages of 50 and 70, and men are 2 to 3 times more likely to develop kidney cancer than women. Approximately 5-8% of kidney cancer cases are linked to family genetics. 

The main types of kidney cancer:

  • Renal cell cancer (RCC): The proximal renal tubules, which make up the kidney’s filtration system, are where this type of cancer arises. RCC makes upto 85% of diagnoses.
  • Transitional cell cancer (TCC) or renal urothelial carcinoma (UC): These two types of cancers are responsible for 5% to 10% of all kidney cancers identified in adults. Urothelial carcinoma originates in the renal pelvis, the part of the kidney where urine accumulates before going to the bladder.
  • Wilms tumor: Wilms tumor is more common in children than in adults, and it is treated differently. Wilms tumors account for around 1% of all kidney cancers.

Risk factors of kidney cancer

Several known factors can contribute to the risk of the disease:

  • Smoking
  • Nutrition and weight
  • High blood pressure
  • Chronic kidney disease that needs dialysis
  • Long-lasting infection with Hepatitis-C
  • Taking certain pain medicines for a long time
  • Kidney stones
  • Previous treatment for testicular cancer or cervical cancer
  • Family history of kidney cancer

Signs and symptoms of kidney cancer

Early on kidney masses do not typically cause any symptoms and are undetectable on physical examination. As kidney cancer becomes more advanced it classically results in:

  • Blood in the urine
  • Lower back pain or pain in the side (flank) that doesn’t go away
  • A lump or swelling in the kidney area or abdomen 
  • Losing weight for no reason that you know of
  • Anorexia
  • Fever that keeps coming back
  • Night sweats
  • Palpable swollen lymph nodes in the neck
  • Continuous cough
  • Bilateral lower leg swelling

A person with kidney or renal pelvis cancer may or may not have one or more of the symptoms listed above. The same symptoms may be the result of something else. If you have any of these symptoms, talk to your doctor first.

Diagnosis and treatment

The diagnosis of kidney cancer is unusual. In fact,  patients do not exhibit signs or symptoms that would prompt them to undergo testing. Because the use of ultrasound and CT imaging for nonspecific abdominal problems are on the rise, kidney masses are commonly discovered coincidentally during medical imaging. Following imaging, a tissue biopsy is taken which confirms the diagnosis. Treatment for kidney cancer may include surgery, radiation therapy, chemotherapy, immunotherapy, and targeted therapy.

The impact of COVID-19 on kidney cancer patients

The isolation of lockdowns, a lack of social support, greater financial stress, and a heightened sense of vulnerability about one’s health have made this a difficult time for cancer patients. Reflecting on this year’s theme, all patients are encouraged to share their struggles and triumphs, talk to their families, friends, doctors, or even post their stories on social media. 

World Kidney Cancer Day is a day to increase the visibility and awareness of psychosocial problems associated with kidney cancer and begin conversations with loved ones and one’s cancer care team. International Kidney Cancer Coalition’s (IKCC’s) mission is to reduce the global burden of kidney cancer which means lowering incidence rates, increasing access to improved treatments, providing quality information to patients and caregivers, and ensuring people have access to mental health services they need for support.

মেন্সস্ট্রুয়াল হাইজিন ডে ২০২১

মাসিক একটি সাধারণ শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হলেও বাংলাদেশে এই বিষয়ে কথা বলাটা বেশ অস্বস্তিকর। মাসিক নিয়ে আমাদের সমাজের গভীরে প্রোথিত বিধিবিধান ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এই অস্বস্তির সূচনা করেছে। এ বিষয়ে কথা না বলার ফলেই নারী ও কিশোরীদের আত্ন-মর্যাদা, সুস্বাস্থ্য  এবং লেখাপড়াতে যথেষ্ট প্রভাব পড়ে এবং তারা স্যানিটেশন সুবিধা ও পরিচ্ছন্নতার অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। এই চুপ থাকার শেকল ভাঙ্গতে এবং মাসিকের সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা তৈরী করতে প্রতিবছর ২৮ মে পালিত হচ্ছে মাসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো “মোর এ্যাকশন এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন মেন্সস্ট্রুয়াল হেলথ এ্যান্ড হাইজিন নাও!”

মাসিক হলো ইউট্রাস হয়ে যোনীপথের মধ্য দিয়ে রক্ত ও মিউকোসাল টিস্যুর বের হয়ে যাবার একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া যা সাধারণত শুরু হয় ১১ থেকে ১৩ বছর বয়েসে। এই মাসিক চক্র সাধারণত ২৮ দিন পর পর ঘটে এবং তা মোটামুটি ৫ দিন স্থায়ী হয়। এই বিষয়টাকে স্বীকৃতি দেবার জন্যই মাসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয় ২৮ মে।

স্যানিটারি ন্যাপকিনের উচ্চ মূল্যের জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী নারী ও কিশোরীদের মাসিকের সময় প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । তাই বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ অথবা সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিতের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। কোভিড -১৯ মহামারিতে মাসিককালীন পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পণ্যের মারাত্নক অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে। যার ফলে সুবিধাবঞ্চিত অনেক নারীই স্যানিটারি ন্যাপকিনের বদলে পুরোনো ছেড়া কাপড় ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন।

কী ভাবে মাসিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যায়?

মূলত এই ৪ ধরনের স্যানিটারি পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে:

  • স্যানিটারি প্যাডস
  • ট্যাম্পন
  • টিস্যু পেপার
  • পেঁজা তুলা

যে সকল পরিচ্ছন্নতার চর্চা করা উচিত:

  • প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর প্যাড বদল 
  • ভিতরে পানি দিয়ে না ধোয়া বা ডুচিং না করা
  • মল-মূত্র ত্যাগের পর পর্যাপ্ত পরিষ্কার করা
  • প্রতিবার প্যাড বদলানোর পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা
  • যদি কাপড় ব্যবহার করতেই হয়, তবে তা ভালো ভাবে ধুয়ে ও রোদে শুকিয়ে নিবেন
  • ব্যবহৃত স্যানিটারি ন্যাপকিন ফেলার আগে কাগজে মুড়িয়ে যথাযথ জায়গায় ফেলুন

অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের জন্য যে সকল প্রজনন বিষয়ক সমস্যা দেখা দিতে পারে:

  • অপরিচ্ছন্ন বা সস্তা প্যাডের দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। যার ফলাফল হিসেবে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা, পিঠে ব্যথা এবং জ্বর হতে পারে
  • যোনিপথে ইনফেকশন হয়ে মিউকোসাল লেয়ারে ছড়িয়ে পড়তে পারে যার ফলে জরায়ু প্রাচীর, ওভারিস, ফ্যালোপিয়ান টিউবের ক্ষতি হতে পারে। মাসিকের সময় অপরিচ্ছন্নতার কারণেই এই সমস্যা গুলো দেখা দেয়। এছাড়াও তলপেটে ব্যথা, যোনি স্রাব এবং চুলকানি হতে পারে
  • বড় আকারের কাপড় বা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করলে দুই উরুর ঘর্ষণের ফলে সেখানে চুলকানির সৃষ্টি হতে পারে
  • একই প্যাড দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে তাতে জমে থাকা শুকনো রক্ত থেকে অস্বস্তি হতে পারে বা দূর্গন্ধ ছড়াতে পারে
  • অনেক নারীই এটা ভাবেন যে মাসিকের সময় সঙ্গম করলে গর্ভধারণ ঠেকানো যাবে। কিন্তু এটি ভুল এবং এটা আরও বেশি বিপজ্জনক কারণ এর ফলে বিভিন্ন যৌন সংক্রামক রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন হার্পিস, হেপাটাইটিস বি সহ কিছু এসটিডি গোত্রের অসুস্থতা।
  • স্যানিটারি ন্যাপকিন স্পর্শ করার পর ঠিক মতো হাত পরিষ্কার না করলে হেপাটাইটিস বি এর মতো ইনফেকশন হতে পারে
  • মাসিকের সময় অপরিচ্ছন্নতার ফলে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে জরায়ু ক্যান্সার হতে পারে। এই ভাইসার সঙ্গমের সময় সংক্রামিত হয়। এবং মাসিকের অস্বাস্থ্যকর বর্জ্য থেকে এই ইনফেকশন সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • মাসিকের সময় উচ্চ শোষণকারী ট্যাম্পন ব্যবহারের ফলে টক্সিক শক সিন্ড্রোম দেখা দিতে পারে
  • ব্যবহৃত স্যানিটারি পণ্য যেখানে সেখানে ফেলে দেবার ফলে অন্যদের মাঝে হেপাটাইটিস বি এর মতো ইনফেকশন ছড়াতে পারে

এই বছর মাসিক স্বাস্থ্য দিবস এসেছে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মাঝে। তাই আমাদের উচিত দরিদ্র নারী ও কিশোরীদের সঠিক মাসিক পরিচ্ছন্নতার তথ্য পৌঁছে দেওয়া। যা প্রত্যেক নারী এবং কিশোরীর সুরক্ষিত, স্বাস্থ্যকর এবং বিব্রতকর পরিস্থিতি মুক্ত মাসিকের জন্য সহায়ক হবে। এছাড়াও অপরিচ্ছন্ন মাসিকের ফলে যে সকল স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরির সম্ভবনা থাকে তাও কমে আসবে।

Menstrual Hygiene Day 2021

Menstruation – a very uncomfortable word to talk about in Bangladesh, even though menstruation is a normal physiological process. It is approached with hesitance and misinformation because of the deeply-rooted cultural taboo surrounding menstruation. Women’s and teenage girls’ self-esteem, well-being, and education are all affected by the silence surrounding menstruation and a lack of access to sanitation facilities and hygienic absorbents. To break this silence and raise awareness about the importance of good menstrual hygiene management, Menstrual Hygiene Day is observed on the 28th of May every year. The theme for this year is “More action & investment in menstrual health & hygiene now!

Menstruation is the regular discharge of blood and mucosal tissue from the inner lining of the uterus through the vagina which first occurs (menarche) around the age of 11 -13 years. On average the menstrual cycle is 28 days and the menstruation period is 5 days so the date to recognize Menstrual Hygiene Day is 28/5.

The women and teenagers living in disadvantaged areas suffer more because they cannot bear the high prices of sanitary napkins. Initiatives should be taken to make them free of cost or affordable. Women’s deprivation of menstrual hygiene products has been intensified by the COVID-19 pandemic, with most women preferring to use ripped fabric instead of sanitary napkins.

How is menstrual hygiene maintained?

Use sanitary materials:

  • Sanitary pads
  • Tampons 
  • Tissue paper 
  • Cotton wool

Hygiene practices you should follow:

  • Change the pad every 6 hours
  • Avoid douching
  • Wash the genital area after defecation and urination
  • Wash hands every time after changing pads
  • In the case of cloth, it must be washed thoroughly and dried in a sunny place, and ironed
  • The sanitary napkins should be disposed of safely especially in a bin, wrapped in paper

Beware of these gynecological issues arising due to unhygienic habits:

  • Prolong use of unclean pads or cheap alternatives can lead to urinary infections resulting in painful urination, lower abdominal pain, back pain, and fever
  • Infections of the reproductive tract, which may spread to the mucosal layer of the reproductive tract and cause severe harm to the uterine wall, ovaries, and fallopian tubes, may be caused by poor hygiene during periods resulting in lower abdominal pain, vaginal discharge, and itching 
  • Because of the friction between the thighs, using larger size shapes of fabric can cause rashes
  • Using the same pad for a long time can cause bad odor and vaginal irritation due to old dried blood
  • Many women think that having intercourse during a period may prevent pregnancy. But it is risky because they are highly likely to contract sexually transmitted diseases like Herpes, Hepatitis B, or STD.
  • Not washing hands properly after touching sanitary napkins also leads to infections like Hepatitis B
  • Poor menstrual hygiene can also cause cervical cancer which is caused by Human Papilloma Virus. This virus is transmitted sexually, and unhygienic handling of menstrual waste can spread the infection easily.
  • Using highly absorbent tampons during menstruation can cause Toxic Shock Syndrome
  • Unsafe disposal of used sanitary materials increases the risk of infecting others, especially with Hepatitis B

On this Menstrual Hygiene Day, and amidst the COVID-19 crisis, we should lend a helping hand to underprivileged women and young girls by educating them about proper menstrual hygiene. This will help every woman and girl to securely, hygienically, and without embarrassment manage their menstruation and avoid the medical complications that may arise from poor menstrual hygiene.

World Family Doctor Day 2021

World Family Doctor Day is celebrated on May 19 every year. WONCA first declared this day in 2010, and it has since become a day to recognize the importance of family doctors and primary care teams in healthcare systems all over the world.

We will take this opportunity to recognize the important role of family doctors in providing comprehensive and ongoing healthcare in a personal manner. 

Family doctors specialize in Family Medicine. This is a field of medicine that offers ongoing and comprehensive health services for individuals and families. It is a broad discipline that encompasses biological, clinical, and behavioral sciences. Family practice covers all ages, all sexes, every organ system, and every disease.

The importance of primary healthcare and the critical role played by family doctors while the healthcare systems are put to a tough test has been highlighted by the COVID-19 pandemic. Family doctors are often the first point of contact for patients and are thus seen as ‘gatekeepers’ in the fight against COVID-19. They are included in the COVID-19 response effort through:

  • Identifying the most vulnerable people – especially elderly and patients with chronic disease and other comorbidities – and advising families on how to support them
  • Teaching home-care guidelines, even for sick patients, to avoid going to the hospital
  • Working together with other healthcare professionals to ensure appropriate actions are taken promptly to reduce risks
  • To prevent hospitalization, a physician is responsible for the whole family in testing and evaluation should someone become ill

Rightfully, this year’s theme was chosen “Building the Future with Family Doctors!” 

WONCA has suggested four pillars to address the future of the healthcare system:

Building the Future with Family Doctors and Primary Care Teams

Family doctors are part of a primary care team that also includes nurses, dieticians, physiotherapists, pharmacists, and other members of the allied health care team. While family doctors play an important role, a comprehensive service cannot be provided without the help of other members of the team. This COVID-19 pandemic has shown that only a group of primary care professionals working together can provide the most effective treatment.

Building the Future with Family Doctors and Patients

The approach to family medicine has changed dramatically as a result of the COVID-19 pandemic. Face-to-face consultations now are dangerous for both patients and physicians, hence doctors and patients have been connecting over video consultations. A majority of COVID-19 patients do not need to be admitted to the hospital and can be handled at home under the guidance of a family doctor. 

Building the Future with Family Doctors and New Technologies

If we really want to advance in the field of healthcare in the future, we must embrace new technological developments. AI in healthcare, like other essential innovations, is critical to resolving the crisis and spurring future development. 

We are noticing three different technology trends:

  • Telemedicine:  One of the major benefits of telemedicine over in clinic alternatives is that it reduces contact between patients, healthcare workers, and other patients.
  • The Internet of Medical Things (IoMT): Various devices and smartphone apps have become important in monitoring and preventing chronic illnesses. 
  • Artificial Intelligence (AI) in healthcare: This can increase diagnosis precision, speed, and efficiency, allowing for early treatment through AI-driven analytics that can assist healthcare providers in determining the best approach for a given patient.
Building the Future with Family Doctors and YOU!

Every individual’s interest is critical for better healthcare in the future. All should speak up, engage in events and efforts, and thus help to create a better future for family doctors and their patients.

At Praava Health, we provide a full length of family doctor services. Praava is a network of family health centers where patients always come first. The whole team of Praava is dedicated to building a better patient experience that is enabled by technology. 

You can talk to the family doctors through video consultations. Not only family doctors, Praava’s physiotherapists, dieticians, and the dentist are also available for video consultation. The nursing team and phlebotomists are collecting samples for both COVID and non-COVID patients from home. 

Praava has taken the challenge of this pandemic and survived and will continuously try to provide better health service to a person in need through a holistic approach.

World Hypertension Day 2021: Know About Your Blood Pressure

Hypertension or high blood pressure means persistently elevated blood pressure of an individual. According to international statistics, about 26% of the world’s adult population has hypertension, and the prevalence is expected to increase to 29% by 2025. It is also called a ‘Silent Killer’ because it does not cause any symptoms initially and go unnoticed for many years. This is why it’s important to raise hypertension awareness and emphasize the importance of blood pressure control. Hypertension has become one of the most challenging public health issues in the world due to its pivotal role in the growing global burden of illness and disability. 

World Hypertension Day (WHD) is celebrated annually on May 17 which was initiated by the World Hypertension League. The World Hypertension Day (WHD) aims to raise public awareness about hypertension and empower people of all countries to avoid and monitor the modern epidemic, as well as spread knowledge about its complications. The theme for the past years was Know Your Numbers with the aim of raising awareness of high blood pressure (BP). The theme for World Hypertension Day 2021 is Measure Your Blood Pressure, Control It, Live Longer

The reading for blood pressure is 120/80mmHg in technical terms. The term “mmHg” stands for millimeters of mercury. The reading is expressed as “120 over 80,” with 120 representing the systolic pressure and 80 representing the diastolic pressure. If your blood pressure readings fall outside of this range, you may need medical help. That’s why World Hypertension Day stresses the importance of understanding your numbers so you can respond quickly if they’re outside of the usual range.

Symptoms

Hypertension usually do not show symptoms, but when symptoms do occur, they can include:

  • Early morning headaches
  • Nosebleeds
  • Irregular heart rhythms
  • Vision changes
  • Buzzing in the ears

Severe hypertension can cause:

  • Fatigue
  • Nausea
  • Vomiting
  • Confusion
  • Anxiety
  • Chest pain
  • Muscle tremors.
Risk Factors

High blood pressure can be intensified by your lifestyle choices:

  • Unhealthy diet: High blood pressure can be caused by a diet that is too high in sodium and too low in potassium. 
  • Physical inactivity: Regular exercise can also help you maintain a healthier weight, which can also reduce your blood pressure.
  • Obesity: Obesity can lead to heart disease and diabetes, in addition to high blood pressure. 
  • High alcohol consumption: Too much alcohol will cause your blood pressure to rise.
  • Tobacco: Tobacco consumption of any kind raises nicotine levels, which raises blood pressure.
  • Genetics and family history: High blood pressure, heart disease, and other related conditions are likely to have a genetic link. 
  • Age and increasing stress: Since your blood pressure continues to rise as you age, your risk of high blood pressure rises as you grow older and face more stress.
Daily Tips to Reduce Hypertension

Everybody should follow a healthy lifestyle and balanced healthy diet to maintain ideal body weight. Following are few health tips to reduce the risk of getting hypertension.

  • Reduce salt intake (to less than 5g daily)
  • Eat more fruit and vegetables daily
  • Exercise regularly
  • Avoid all type of tobacco 
  • Reduce alcohol consumption
  • Limiting the intake of foods high in saturated fats
  • Eliminate/reduce trans fats in the diet 
  • Reduce and manage mental stress
  • Regularly check blood pressure
  • Treat high blood pressure
  • Manage other medical conditions, such as diabetes and kidney diseases

It is dangerous if anyone ignores the symptoms of hypertension. This is rapidly spreading around the world. You can lower your blood pressure and keep it in a healthy range by making lifestyle and dietary improvements. Always keep in mind that untreated hypertension will harm the heart, brain, lungs, and kidneys. Also, please don’t base your blood pressure on a single reading. To diagnose your disease, your family doctor may need to take many readings. If you’ve been diagnosed with hypertension, make sure to keep in contact with your family doctor and take regular blood pressure readings to keep track of your numbers.