Maintaining Healthy Nutrition During Eid

Eid-ul-Fitr, marking the end of the holy month of Ramadan, is the most celebrated festival in the Muslim community. This festival is observed around the world with great excitement and with a variety of delectable delicacies set out for a feast. However, it is also essential to stay healthy and on top of your health and away from overindulgence and excessive consumption of food at once. 

You can follow the below tips to ensure you have a healthy Eid:

  • Instead of stacking plates with unhealthy foods, take small portions of food
    Make sure your plate isn’t overflowing. It’s best to try something, just in limited amounts. Otherwise, indigestion and bloating will occur, consuming too much greasy food could damage the lining of the stomach and it can cause indigestion as well.
  • Do not eat too much red meat
    Excessive consumption of high cholesterol food like red meat should be avoided. To maintain your health, stay away from the fatty parts of meat. Add some fish items instead of red meat.
  • Keep desserts to a minimum
    If you can’t miss out on the opportunity to indulge in some sweet dishes, keep the portion to a minimum. Modify sweet recipes by decreasing their fat content and substituting sugar with honey or dates as this offers the highest nutritional value to the dish.
  • Include some vegetable on your platter
    Eating a lot of fruits and green vegetables that contain vitamin C in addition to meat is highly recommended. Make sure to eat lots of salads too. Vegetables are rich in vital nutrients and nutrition, which can make you feel full, allowing you to consume less high-calorie, fattening foods.
  • Avoid high consumption of carbonated drinks
    Carbonated drinks do not help you digest heavy food but instead are high in sugar and are harmful to your health. Avoid drinking them as much as possible. Add coconut water, sour curd, lassi, mint water, and jeera water instead of carbonated drinks.
  • Drink plenty of water
    After a strict regime of 30 days of fasting, the glycogen levels in your body get all messed up. Drinking plenty of water will bring these levels back to normal.
  • Fix your mealtime and take breaks between your meals.
    To stay healthy, do not eat at odd times of the day. You should stick to your routine even during Eid. To help the food be fully digested, keep at least a 6 hours time interval between two consecutive meals. It helps the food to be fully digested.
  • Stay physically active
    A healthy walk and exercise routine improves your mood and manages your appetite. Taking a walk will help your stomach to function properly and digest food.

The value of good nutrition is not new, and retaining good personal nutrition is one of the most important tools. So be watchful of what you eat, maintain healthy ways to feast so that you don’t miss out on the spread of dishes.

ঈদে স্বাস্থ্য সুরক্ষা

পবিত্র রমজান মাসের শেষে জাঁকজমকের সাথে উদযাপিত হয় মুসলিমদের কাঙ্ক্ষিত ঈদ-উল-ফিতর। বিপুল উৎসাহ আর বাহারি সব খাবারের লোভনীয় আয়োজনের সমাহারে পালিত হয় এই উৎসব। তবে এই ঈদ উৎসবের আয়োজনেও আপনার স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা জরুরি। আর সেজন্যই অপরিমিত হারে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ পরিহার করা উচিত।

স্বাস্থ্যকর ঈদ পালনের নিশ্চয়তায় কিছু নির্দেশনা:  

  • অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন

অতিরিক্ত তেল চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে, পরিমাণে অল্প কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে এবং মোটা হবার সম্ভাবনা বাড়ে।  তাছাড়া অতিরিক্ত তেলচর্বি যুক্ত খাবার খেলে পেটের সমস্যা এবং বদ হজম হয়।

  • রেড মিট থেকে সাবধান

হাই কোলেস্টরেলযুক্ত খাবার যেমন রেড মিট কম খাওয়া উচিত৷ শরীর সুস্থ রাখতে, মাংসের চর্বিযুক্ত অংশ খাবেন না৷ রেড মিটের পরিবর্তে কিছু মাছের পদ রাখতে পারেন।

  • মিষ্টি জাতীয় খাবার কম গ্রহণ করুন 

মিষ্টি জাতীয় খাবার একান্তই এড়াতে না পারলে, অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত৷ মিষ্টি খাবারের রেসিপিতে একটু বদল আনুন। চর্বিযুক্ত অংশ বাদ দিন। চিনির বদলে মধু কিংবা খেজুর যোগ করতে পারেন, যা আপনার খাবারের পুষ্টিগুণ অনেক বাড়িয়ে দেয়।

  • প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি যোগ করুন

মাংসের পাশাপাশি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি গ্রহণ করুন। প্রচুর সালাদ খান। শাকসবজিতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এই পুষ্টি আপনার ক্ষুধা ভাব কমাবে, সেই সাথে আপনাকে উচ্চ ক্যালরি যুক্ত এবং মেদযুক্ত খাবার থেকে দূরে রাখবে।

  • কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন 

ভারী খাবার হজমে কোমল পানীয় কার্যকর নয়৷ এসব পানীয়ে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। তাই যতোটা সম্ভব এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত৷ কোমল পানীয়ের পরিবর্তে নারকেল পানি, টক দই, লাচ্ছি, লেবু পানি অথবা জিরা পানি পান করতে পারেন। 

  • প্রচুর পানি পান করুন

টানা এক মাস রোজা রাখার ফলে দেহের গ্লাইকোজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে। প্রচুর পানি পান করলে গ্লাইকোজেনের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

  • খাবারের রুটিন ঠিক করুন এবং প্রতি বেলার খাবারের মাঝে বিরতি নিন

শরীর সুস্থ রাখতে অনিয়মিত খাবার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ঈদের মধ্যেও খাবারের রুটিন মেনে চলুন। খাবার সঠিক ভাবে হজম হওয়ার জন্য একবার খাবার গ্রহণের পর কমপক্ষে ৬ ঘন্টা বিরতি নিন। 

  • নিয়মিত শরীর চর্চা করুন

হাঁটাচলা এবং ব্যায়াম করলে মন প্রফুল্ল থাকে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে৷ নিয়মিত হাঁটাচলা আপনার পাকস্থলিকে সুস্থ রাখে এবং খাবার হজমে সাহায্য করে৷

পুষ্টি সচেতনতা নতুন কিছু নয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই  সবসময় খেয়াল রাখুন আপনি কি খাচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে পছন্দের সব ধরনের খাবার গ্রহণ করুন।

Importance of Mental Health During Ramadan

In the holy month of Ramadan, over 1 billion Muslims fast from sunrise to sunset all over the world. Ramadan cultivates discipline and appreciation in us, teaches us the importance of support and community, as well as reminding us to be compassionate and help those in need. 

Ramadan is usually a special time for the community where everyone comes together to say their prayers and break their fasts. As this pandemic continues, most countries have imposed restrictions on movement that have forced Muslims to change the way they celebrate Ramadan with others. Same as last year, even now people are unable to enjoy Ramadan and experience the traditions due to lockdowns and social distancing aimed at slowing the spread of COVID-19. They have been unable to pray communally in mosques or gather with family members, friends, or community for iftar/dinners. This time has been difficult for all of us, and it can be even more difficult during festivals, making people feel even more isolated than before. In these conditions, the effect of isolation during Ramadan on everyone’s mental health and wellbeing is a major concern. 

Social isolation can make a person feel depressed, cause them to withdraw emotionally, and for long periods which may result in the rise of overeating during iftar and sehri, smoking post-iftar, lack of exercise, excessive screen time, unregulated sleep especially during Ramadan as sleeping patterns change due to sehri, compulsive shopping, and other inappropriate coping strategies. The elderly and those who have already been diagnosed with social anxiety or a mood disorder are particularly vulnerable. The state of one’s mental health may significantly impact the human immune system, making it highly dangerous to battle COVID-19.

To fight against it, you can be inventive in designing scenes that are close enough to your daily gatherings and keep yourselves busy and away from distraught feelings:

  • Parents can spend more meaningful time with their children by discussing family issues and exchanging feelings freely
  • Spend some quality family time watching TV
  • Reading, painting, or any hobbies 
  • Hosting Zoom watch parties
  • Playing sports 
  • Small exercises
  • Socializing with friends online
  • Participating in the preparation of iftar and prayer
  • Organizing virtual iftars
  • Praying together at home

Remember that you may be physically distancing but help protect your mental health and help others do the same and stay socially connected.

রমজানে মানসিক স্বাস্থ্য

রমজানের পবিত্র মাসে সারা বিশ্বে ১০০ কোটির বেশি মুসলিম সুবেহ্‌ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন। রমজান শৃঙ্খলা ও আত্ম উপলব্ধির বিকাশ ঘটায়। আমাদের শিক্ষা দেয় সামাজিকতার ও সহমর্মীতার। সেই সাথে আমাদের মনে করিয়ে দেয় সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য ও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার কথা।

পবিত্র রমজান মাস জুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা এক কাতারে এসে নামাজ পড়েন এবং একসাথে ইফতার করেন। এই মহামারি সময়ে অধিকাংশ দেশই চলাফেরার উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। যার ফলে মুসল্লিদের একত্রে রমজান পালনের ধরণে এসেছে পরিবর্তন ।  কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধ করতে লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ববিধি মানতে হচ্ছে। যে কারণে গত বছরের মতো এবছরও রমজান পালনে নানাবিধ জটিলতায় পড়তে হচ্ছে । মুসল্লিরা মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারছেননা কিংবা পরিবার পরিজনের সাথে একত্রে ইফতার বা সেহরিও করতে পারছেন না। এই সময়টা আমাদের সকলের জন্যই বেশ কঠিন। আর উৎসবের সময় প্রিয়জনদের থেকে দূরে থাকা এই খারাপ লাগাকে আরো বাড়িয়ে দেয়।  আর এসবের প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার উপর।  

সামাজিক বিচ্ছিন্নতা আমাদের মাঝে বিষন্নতা সৃষ্টি করে। মানুষকে অনুভূতিহীন করে তোলে। যার ফলে ইফতার ও সেহরীতে অতিরিক্ত খাওয়া, ইফতারের পর ধূমপান, শরীরচর্চার অভাব, মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় অতিরিক্ত সময় ব্যায় ইত্যাদি অভ্যাস গড়ে ওঠে। অনিয়মিত ঘুম বিশেষত সেহরির জন্য ঘুমের ধরণ পালটে যাওয়া, অহেতুক কেনাকাটা, এবং আরও নানা ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার সৃষ্টি হয়। বয়ষ্ক মানুষ এবং যাদের সোস্যাল এংজাইটি কিংবা মুড ডিসআর্ডারের লক্ষণ আছে, তারাই এ ক্ষেত্রে বেশি সমস্যায় পড়েন। মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যা কোভিড-১৯ এর বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ বিপদজনক।  

এর থেকে মুক্তি পেতে কাজে ব্যস্ত থাকুন। এছাড়া নিজেকে ভালো রাখার জন্য যা যা করতে পারেন-

  • বাবা মা সন্তানদের সাথে আরো বেশি সময় কাটাতে পারেন এবং পরিবারের বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলাপ আলোচনা করতে পারেন
  • পরিবারের সকলে মিলে কোন নাটক বা সিনেমা দেখতে পারেন 
  • যে কোন শখ যেমন পড়া-লেখা কিংবা আঁকা-আঁকিতে ব্যস্ত থাকতে পারেন
  • জুম বা অন্য যেকোনো ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ দিয়ে ওয়াচ পার্টির আয়োজন করতে পারেন
  • বাসার ভিতরে কিছু খেলাধুলা করতে পারেন
  • হালকা ব্যায়াম করতে পারেন
  • অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারেন
  • ইফতার ও নামাজের প্রস্তুতিতে অংশ নিতে পারেন
  • ভার্চুয়াল ইফতারের আয়োজন করতে পারেন
  • ঘরে এক সাথে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন

মনে রাখবেন সামাজিক দূরত্ব মেনেও মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব এবং অন্যদেরকেও একই ভাবে সহায়তা করা সম্ভব।

World Thalassemia Day 2021

World Thalassemia Day tries to create awareness about the disease and help thalassemia patients lead a normal life despite the burden of the disease. The theme for 2021 isAddressing Health Inequalities Across the Global Thalassemia Community”.

Thalassemia is a very common blood disorder in Bangladesh. According to Bangladesh Thalassemia Foundation, 60000 children suffer from thalassemia. A research published in 2020 found that 67% of the 1578 college students they had surveyed, had never heard of thalassemia. However, 88% of the respondents showed interest in ‘premarital’ screening to prevent thalassemia. 

It is critical to eliminate the lack of knowledge and create more awareness among people. It is time to learn more and draw attention to thalassemia and the growing health inequalities that affect affected patients.

About Thalassemia

Thalassemia is an inherited blood disorder caused when the body doesn’t make enough of a protein called hemoglobin, the protein in red blood cells that carries oxygen. The disorder results in excessive destruction of red blood cells, which leads to anemia

Different types of thalassemia

Hemoglobin, which carries oxygen to all cells in the body, is made of two different parts: alpha and beta. Regular amounts of hemoglobin can’t be created if either the alpha or beta part isn’t produced. Having low alpha is called alpha-thalassemia. Having low beta is called beta-thalassemia.

The severity of thalassemia is indicated by the terms “trait,” “minor,” “intermedia,” or “major”. A person who has a thalassemia trait may not have any symptoms at all or may have only mild anemia, while a person with thalassemia major may have severe symptoms and may need regular blood transfusions.

How does thalassemia affect my body?

You may experience thalassemia-affected low blood count or anemia symptoms if you have thalassemia because your body produces fewer red blood cells. According to the Centers for Disease Control and Prevention (CDC), when you have anemia, you might experience:

  • Tiredness or weakness
  • Dizziness
  • Shortness of breath
  • A fast heartbeat
  • Headache
  • Leg cramps
  • Difficulty concentrating
  • Pale skin

To counteract, your body will try very hard to make more red blood cells. The two places where the blood cells are made are the 

  • Bone marrow
    Because your bone marrow will be working harder than using to make more blood cells, it might grow bigger. This will cause your bones to expand and stretch, making them thinner and more easily broken.
  • Spleen
    Similarly, the spleen can get very big as it tries to make blood cells. Because of this, people with thalassemia are said to be “immunocompromised,” which means that some of the body’s anti-infection defenses aren’t working.

Detecting thalassemia

People with mild to extreme types of thalassemia have severe anemia symptoms early in life. People with less serious types of thalassemia can only find out when they are experiencing anemia symptoms, or because a doctor discovers anemia during a regular blood test or another test.

As thalassemia is hereditary, some people learn about their thalassemia from relatives who have the same disease.

Higher risk for severe illness from COVID-19

People with thalassemia could be at a higher risk of serious illness from COVID-19, according to the Centers for Disease Control and Prevention (CDC) updated guidelines. They suggest that patients with thalassemia should:

  • Consult with their doctor virtually to know when to visit the emergency department if required 
  • Consult with their doctor virtually to manage thalassemia medicines and treatments, as well as any other health problems they may have 
  • In the event of an emergency, inform friends and family about the need for blood donors

Treatment, cure, and prevention

Thalassemia can be treated with regular blood transfusion at 2-4 week intervals to correct the anemia. Ideally, the patients need blood free of white blood cells. 

Chronic blood transfusion causes iron overload in the liver, heart, and pancreas, which may lead to further complications such as heart failure, liver cirrhosis, diabetes, and growth retardation. To avoid iron toxicity, patients must take iron-reducing drugs for the rest of their lives.

Bone marrow transplantation (BMT) is the only cure for thalassemia. However, many factors restrict its potential for widespread use. Firstly, BMT requires a matched sibling donor and such donor is available in only 1-2% of families. Second, as opposed to traditional blood transfusion therapy, BMT carries a greater risk of mortality and rejection. It’s also a costly procedure.

Thalassemia is not a preventable disease as it is inherited. However, only when both parents have the thalassemia gene does the disease develop in children. Each pregnancy in such families has a 25% chance of producing a thalassemia-affected child.  Hence partners are advised to do prenatal tests that can detect these blood disorders before birth. Kids, on the other hand, would be unaffected if either parent is healthy.

রমজানে স্বাস্থ্যবিধি ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা

কোভিড-১৯ তুলনামূলক ভাবে একটি নতুন রোগ। এখনো এমন কোন প্রমাণ মেলেনি যে কোভিড-১৯ এর সময়ে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে যারা শারীরিক ভাবে অসুস্থ তাদের রোজা না রাখাই উচিত অথবা ডাক্তারের পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং রোজা রাখা বিষয়ক অনেক গবেষণাতে দেখা যায় যে, রোজা মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই সাহায্য করে। একটানা রোজা রাখলে শরীরে নতুন শ্বেত রক্ত কণিকা তৈরি হয়, যা ইমিউনিটি বাড়িয়ে শরীরকে নানা ধরনের সংক্রমণ থেকে দূরে রাখে। যখন আপনি দীর্ঘ সময়ের জন্য রোজা রাখেন তখন শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ কমে যেতে পারে। তাই শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।

কোভিড-১৯ মহামারির মাঝে রোজা রাখার সহায়ক পরামর্শ:
  • জরুরি দরকারে ঘর থেকে বের হলে অবশ্যই সঠিক ভাবে মাস্ক পরুন। একটু পর পর ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। এবং একে অপরের থেকে কমপক্ষে ৩ ফিট বা এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন 
  • অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ আলেম রোজা না রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন 
  • রোজার সময় জনসমাগম পূর্ণ এলাকা যেমন বাজার-ঘাট এড়িয়ে চলুন
  • রোজার সময়ে একটু বেশি বিশ্রাম নিন
  • নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন
রমজানের সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করণীয়ঃ
  • দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে। তাই অবশ্যই সেহরি করুন 
  • পরিমাণে কম কিন্তু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার আপনার সারাদিনের পুষ্টির অভাবকে পূরণ করে
  • ফলমূল আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে প্রচুর ফল খান
  • অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। সুস্বাস্থ্যের জন্যে সঠিক ওজন বজায় রাখা খুবই দরকারি, বিশেষত কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে। অতিরিক্ত ওজন বিভিন্ন ধরনের রোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় যেমন: হার্টের সমস্যা এবং ডায়াবেটিস। পাশাপাশি করোনায় সংক্রমণের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়
  • ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত চর্বি ও চিনি যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
  • বেশি পিপাসার্ত করে তোলে এমন খাবার গ্রহণে বিরত থাকুন
  • প্রতিদিন ১.৫ থেকে ২ লিটার পানি পান করুন

ইমিউন ফাংশন শক্তিশালী হলে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর উপায় হলো উচ্চ-ক্যালরি যুক্ত খাবার না খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা।

Health & Immunity During Ramadan

COVID-19 is a relatively new disease and there is no strong clear evidence that fasting during Ramadan has any negative effects on healthy people during the COVID-19 pandemic. However, those at risk of developing health problems should refrain from fasting or should consult with their doctor first. 

Many research on Ramadan’s impact on the immune system has shown that fasting can help the immune system recover. Fasting for consecutive days helps the body to begin forming new white blood cells, allowing the immune system to be rejuvenated and better able to combat infection. Number of white blood cells decreases when you are fasting long-term, so you have to make sure you are eating well to ensure your white blood cells return to normal count. 

Here are several preventative recommendations for people who want to fast during the COVID-19 pandemic:
  • Make sure you are wearing masks at all times when you are stepping out from home, frequently wash your hands, and maintain a distance of at least one meter from others
  • If a person is suffering from illness, the majority of religious scholars have often advised against fasting
  • Avoid being in a crowded public space during your fast, such as a marketplace.
  • Rest more during fasting
  • Avoid going to mosques for prayer
Tips for better immunity during Ramadan:
  • Don’t skip your sehri – your body will be exhausted due to long periods of hunger which will lower your immunity
  • Lighter yet fulfilling foods that will help replenish all nutrients lost during the day
  • Fruits can help boost your immune system, so eat lots of fruits and vegetables between iftar and sehri
  • Don’t overeat as staying at a healthy weight is very important, especially during COVID-19. Being overweight puts you at risk for a variety of illnesses, including heart disease and diabetes, as well as in a COVID-19 high-risk group.
  • Stay away from fried food and excessive sugar and fat.
  • Avoid foods that make you thirsty
  • Drink at least 1.5 – 2 liters of water every day

Supporting immune function and improving individual resistance have shown to be critical in combating COVID-19, and the most effective ways to improve and enhance personal immunity are to stop overeating high-calorie food and to engage in a proper exercise program.

World Asthma Day 2021 – Uncovering Asthma Misconceptions

Asthma is a big public health concern. According to the World Health Organization (WHO), asthma has affected an estimated 262 million people in 2019 and caused 461000 deaths worldwide.  

Every year in May Global Initiative for Asthma (GINA) and World Health Organization (WHO) collaboratively organize World Asthma Day to raise asthma awareness worldwide. 

This year’s World Asthma Day theme is “Uncovering Asthma Misconceptions”. The theme is a call to action to counter common asthma myths and misconceptions that hinder people with asthma from getting the most out of significant advances in asthma management. 

Common misconceptions surrounding asthma include:

  • It is contagious
  • It is untreatable
  • It is a psychiatric or psychosomatic disorder
  • Alternative treatments are more curative 
  • Children should not use inhalers
  • Inhalers are addictive
  • Inhalers are the last sort of treatment
  • Asthma is a childhood disease and people will grow out of it as they age
  • Asthma sufferers should not exercise
  • Asthma is only controllable with high-dose steroids

But the true facts are:

  • Asthma can occur at any age but is the most common chronic disease among children
  • Asthma is not infectious. Asthma attacks may, however, be triggered by viral respiratory infections (such as the common cold or the flu). Alternatively, asthma in children is often linked to allergies, whereas asthma in adults is less often allergic.
  • Asthmatic patients who have their asthma under control can perform heavy exercises
  • Asthma is most often controllable with low-dose inhaled steroids
  • Inhalers are not addictive and best controller device with fewer side effects

Asthma is a chronic airway inflammation characterized by respiratory symptoms that change in frequency and severity over time and are reversible either naturally or with medication. It is a chronic condition that is very common, treatable, and non-contagious. It is usually triggered by specific factors – outdoor and indoor allergen, food, etc. Common symptoms of asthma are cough, wheeze, chest tightness, shortness of breath, and chest pain.

Impact of asthma

Asthma is often under-diagnosed and under-treated and people can suffer sleep disturbance, tiredness during the day, and poor concentration. People with asthma may need emergency medical attention and may be admitted to a hospital for treatment and supervision if their symptoms are serious. Asthma can be fatal in the most serious cases.

Research says, for some children, asthma is a condition whose signs seem to fade with time. Although for many children, asthma lasts their entire lives and is associated with more serious symptoms, increased airway reactivity, and lung function loss. Typically, these children have a family history of asthma and exhibit increased airway reactivity. 

Several studies suggest that improper use of medications as single therapy increases the risk of asthma-related hospitalizations and mortality while mild asthma attacks can be treated at home when the patient is given proper instructions and adequate education.  

To reduce unnecessary visits to the hospital, patients must be educated about how to treat and monitor symptoms at home. Having a routine follow-up appointment with a primary care physician or a pediatrician, on the other hand, will help to reduce potential emergency visits and improve medication compliance.

Using Protein and Good Nutrition to Build A Stronger Population for The Future

The COVID-19 pandemic has disrupted life in Bangladesh and around the world and has underscored the importance of focusing on our personal health and well-being. While there are many things we can do to stay safe, such as social distancing and wearing masks, one of the biggest tools in the fight against COVID-19 is maintaining good personal nutrition.

The importance of good nutrition is nothing new for Bangladesh, as the country has made significant progress in building a stronger population through addressing malnutrition. The country has reduced the rate of malnutrition from 42% in 2013 to 28% in 2019; however, challenges still remain.

Bangladesh faces a triple burden of malnutrition – “undernutrition” (underweight, stunted growth, muscle wasting), “overnutrition” (overweight), and micronutrient deficiencies (i.e. lacking a balanced diet). 

Malnutrition impacts the physical and mental cognitive development of children and increases the risk of communicable diseases and critical infections in adults as it hampers immunity. Malnutrition in Bangladesh is aggravated by poor dietary diversity, with excessive carbohydrate intake (70 % cereal mainly rice) and inadequate quality protein, fat, and micronutrient (vitamin A, iron, zinc) intake.

A key nutrient to fight malnutrition is a proper diet of proteins. One of the reasons Bangladesh ranks 104 out of 112 countries on the Global Food Security Index (GFSI)-Quality and Safety of Food- 2020 (Economic Intelligence Unit) is that GFSI considers diet diversification, nutritional standards, availability of dietary micronutrients that includes vitamin A, animal iron and vegetal iron, zinc, and quality of proteins.

We get our protein from 2 sources – plants and animals. Animal sources of protein are considered higher quality as they contain all the essential amino acids and can be easily digested and utilized by the human body. Global trends indicate high-income countries maintain a balanced diet of proteins from both animal and plant sources while lower-income countries such as Bangladesh depend more on plant sources. In Bangladesh, the demand for meat is also driven by affordability with urban areas consuming a greater proportion of meat in their diet than rural areas.

Two important developments in the last 30 years in Bangladesh have been steadily improving the balance of protein intakes. The first is the growth of aquaculture. Availability of fish at a national level has increased animal protein intake. The second is the increased availability of poultry, eggs, and milk. Since the early 1990’s the considerable increase in protein intake has been largely in line with recommended global protein levels, but 80% of the intake is still from plant sources.

According to the Food and Agriculture Organization’s food balance sheet, the total protein intake in Bangladesh is 60g/day/person, of which only 12g/day/person is from animal sources and 48g/day/person from plant sources.

Protein is a macronutrient like a carbohydrate and fat, providing a source of energy. The building block of proteins is amino acids (AA). Nine of them are essential AAs as we cannot store them in our body and so they have to be obtained from our diet. Food that contains all or most 9 AAs is of high biological value as our bodies can break them down and use them efficiently. Therefore, those proteins that provide the 9 AAs are considered quality proteins and are included as one of the determinants in the GFSI rankings.

Protein is critical for building bones and tissues (muscle). It plays a role in metabolic reactions, cell functions, cell, and tissue repair, and forms blood cells. The daily requirement for protein for an average person is about 0.75-0.80 g/kg/day depending on factors such as weight, age, activity levels, gender, and health condition. The requirements are higher during pregnancy, lactation, childhood, recovery from major illness, trauma, infection, and surgery. Therefore, to tackle malnutrition, Bangladesh needs to meet increased protein requirements in critical stages of development. Even though Bangladesh is on track to meet maternal, infant, and child nutrition targets, the rate of stunted growth is higher than average for Asia with 30.8% of children under the age of 5 affected. 

To understand the sources of protein, it is important to mark out its widely available sources as below:

Sources of animal protein 

Red meat: beef, lamb, mutton, goat, pork meat. Also good sources of heme iron and zinc. Even though red meat is considered as high quality protein, its intake should be in moderation due to saturated fat content. In most high-income countries, high intakes have been linked to obesity and non-communicable diseases (strokes, heart disease, diabetes type 2, cancers) in the long run.

Poultry & eggs: Chicken, duck. Good source of vitamins B, iron, zinc, and copper. Eggs are an excellent source of protein and vitamin D is present in small amounts in egg yolks.

Fish & seafood: Oily fish- Pangaish, Hilsa, Carp, Katla. Oily fish is a good source of omega 3 fatty acids (DHA) and vitamin D. It promotes healthier brain cells and is also anti-inflammatory.

Milk & dairy products: milk, yogurt, and cheese. Good sources of calcium, phosphorus, and riboflavin. It is recommended to have 2-3 servings of low-fat dairy products a day to meet calcium requirements.

Sources of plant protein

Whole grains: Wheat(gom), buckwheat, millet (bajra), wild rice, spelled, sorghum (jowar), barley, oats, quinoa. Whole grains are good sources of protein with added fiber, vitamin B, anti-oxidant, and magnesium. If plant sources of protein are dominant in the diet it is important to include a variety.

Legumes: lentils, beans (chickpeas, kidney, lima, mung, pinto), peas (green, snow, snap, split), edamame/soybeans (soy products: tofu, tempeh). Packed with fiber and iron, zinc, folate, and magnesium it is important to include a variety to get all essential protein in the diet.

Nuts: Almonds, pistachios, cashews, walnuts, hazelnuts, pecans, peanuts, Brazil nuts. Excellent sources of protein and unsaturated (good) fats. It is important to keep in mind nuts are high in calories and should be taken in moderation, not more than 28g a day (with no added salt and sugar).

Seeds: Pumpkin seeds, sunflower seeds, flax seeds, sesame seeds, chia seeds. Chia and pumpkin seeds contain all of the essential amino acids. Seeds are a rich source of fiber, good fats, and also omega 3 fatty acids.

To target malnutrition and subsequently our overall nutritional balance across the population, certain measures can be taken by the relevant authorities:
  • Update national dietary guidelines – to include the reference intake of amino acids for targeted population groups such as infants, children, adolescents, pregnant and lactating women, and the elderly.
  • Creating awareness – through nutritional education programs aimed at schools. For example, making nutritional education compulsory at school, including in the national curriculum. Creating awareness through media advertisements and television programs about alternative sources of protein and how it can be obtained from the everyday diet can also build general awareness.
  • Food fortification – commercial and industrial fortification e.g. by fortifying flour, cooking oil, or rice with essential amino acids and micronutrients. Another form of fortification is biofortification (i.e., increasing the nutritional value of crops). Educational programs for farmers can also be beneficial.
  • Targeted drivesproviding vitamin drops or fortified foods to targeted groups. Example: distributing eggs and whole grains to over 65s to prevent sarcopenia or providing nutritious school meals to school children at national levels.
  • Economic incentives – Providing incentives to farmers to cultivate more legumes such as soybeans, peas, lentils, etc.

Tackling malnutrition is a key to productivity, economic prosperity, meeting the United Nations’ Sustainable Development Goals (SDGs), and most importantly, helping in the fight against COVID-19. With the remarkable success that Bangladesh has achieved to date, it should be within Bangladesh’s grasp to use good nutrition to make its population healthier and stronger for the future. 

রমজানে দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা

যারা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন, তাদের জন্য সেই ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত না খেয়ে থাকাটা কষ্টকর, বিশেষ করে এই মহামারীর সময় এটা আরও কঠিন। যদি আপনি বা আপনার পরিবারের সদস্য কোন দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, এই রমজান মাসে তার বিশেষ যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।

রমজানে আপনার জন্য হেলথ টিপস:
ডায়াবেটিস

প্রতিদিন দীর্ঘ সময়ের জন্য না খেয়ে থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই রমজানে যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে সেগুলো হল:

  • নিয়মিত আপনার রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করান। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন আপনার রক্তের গ্লুকোজ লেভেলকে প্রভাবিত করতে পারে তাই আপনার রক্তের গ্লুকোজ লেভেল পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রক্তের গ্লুকোজ লেভেল মাপলে (নিডল প্রিকের মাধ্যমে) আপনার রোজা ভাংগবে না। 
  • রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে রোজা রাখার আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলে রোজার মধ্যে আপনার ওষুধের সময় এবং পরিমাণ কী হবে সেটা জেনে নিন। 
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ

আপনার রক্তের প্রেশার অর্থাৎ ব্লাডপ্রেশার যখন অনেক বেশি থাকে, সেই অবস্থাটাই হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ। হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণ হতে পারে এবং হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। আপনার যদি হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ থেকে থাকে, তাহলে রোজা রাখার সময় নিচের টিপসগুলো মেনে চলুন:

  • আপনার ওষুধ সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন এবং রক্তচাপ যেন হটাৎ এবং দ্রুত কমতে না পারে সেজন্য রোজাকালীন সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করছেন কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • আপনার রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন; আপনার রক্তচাপ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত রোজা না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • এই মাসে হাই-ফ্যাট যুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।
হৃদরোগ (সিভিডি)

যাদের হার্টে সমস্যা আছে এবং হার্টে সামান্য রোগের প্রভাব আছে এমন বেশিরভাগ রোগীর রমজানে রোজা রাখা নিরাপদ। তবে, হৃদরোগের রোগীদের রোজা রাখার জন্য সঠিক ডায়েট বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসে মনে রাখতে হবে এমন ৩ টি কাজের কথা নিচে দেওয়া হল:

  • সবসময় সুষম পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন এবং সেহরি বা ইফতারের সময় তৈলাক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • কাঁচা লবণ খাওয়ার পরিমাণ যতটা সম্ভব কম রাখুন।
  • নিয়মিত হালকা ব্যয়াম যেমন হাঁটাচলা করুন। আর এই মহামারী বা লকডাউনের সময়, বাসার মধ্যে বা ছাদে হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন। 
দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (সিকেডি)

সাধারণত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে কিডনিরোগ (সিকেডি) হয়ে থাকে। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো অন্যান্য রোগের কারণেও সিকেডি রোগ হতে পারে এবং পরে এই রোগ আরও বাড়তে পারে, তাই এই রোগগুলো ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। বেশিরভাগ সিকেডি রোগী ভালো মানের সুষম ডায়েট করতে পারবে এবং তাদের পর্যাপ্ত হাইড্রেশনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কিডনি রোগ যদি ফাইনাল স্টেজে থাকে বা আপনার নিয়মিত ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয়, তবে আপনি কী কী খেতে পারবেন এবং কী পরিমাণ লিকুইড খাবার লাগবে সে বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। রমজানের সময়, সিকেডি রোগীদের শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়া এবং ডিহাইড্রেশনের প্রভাব প্রধান উদ্বেগের কারণ হতে পারে, তবে রোজা কিন্তু সিকেডি এর ঝুঁকি বাড়ায় না, বরঞ্চ দীর্ঘকাল ধরে রোজা রাখা বয়স্ক রোগীরা এখনও বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারেন। রমজানের সময় যে ডায়েটগুলো মনে রাখতে হবে:

  • ইফতারের সময় কলা বা রান্না করা পালং শাকের মতো হাই পটাশিয়াম খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • কলিজা, দুগ্ধ জাতীয় খাবার, ডাল জাতীয় হাই ফসফেট যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • হাইড্রেশন বজায় রাখুন তবে ওভারহাইড্রেশন যেন না হয় সেটাও খেয়াল রাখুন।
  • প্রস্রাব পর্যবেক্ষণ করুন এবং শরীর কোথাও ফুলে আছে কিনা সেটাও চেক করুন। যদি এমন কিছু হয় তাহলে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
সবার আগে সুস্বাস্থ্য

সাম্প্রতিক মহামারী সংক্রান্ত রিসার্চে উঠে এসেছে যে; যারা রোজা রাখেন, কোভিড-১৯ এর কারণে তাদের সংক্রমণের হার বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কম থাকে। ফলাফলস্বরূপ, এমন কোন প্রমাণ নেই যে রোজা রাখার ফলে ইমিউনিটি কমে যায় বা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে, যাদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে তারা কোভিড-১৯ এর উচ্চ ঝুঁকির গ্রুপে রয়েছেন। মহামারী চলাকালীন সময় রোজা রাখার আগে রোজার ঝুঁকিগুলো বোঝার জন্য প্রথমেই আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন।